ট্রাম্পের ভোলবদলে অসন্তুষ্ট জেলেনস্কি, সংশয়ে ইউরোপও

এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্ত ছাড়া যুদ্ধে রাশ টানা অসম্ভব। সেইসঙ্গে ইউরোপের বন্ধুদেরও পাশে চেয়েছেন জেলেনস্কি।

Must read

প্রতিবেদন: ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্য করতে চাইছেন না আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বরং পুরনো বন্ধু পুতিনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত করতে আগ্রহী তিনি। যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা উসকেও ইউক্রেনের মূল্যবান খনিজ সম্পদ হাতাতে যে পরিকল্পনা করেছে বর্তমান মার্কিন প্রশাসন, তাতে প্রবল ক্ষুব্ধ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এই প্রেক্ষাপটে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবারই সেকথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধের কথা বললেও ইউক্রেনে আক্রমণ তীব্র করেছে রুশ বাহিনী। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্ত ছাড়া যুদ্ধে রাশ টানা অসম্ভব। সেইসঙ্গে ইউরোপের বন্ধুদেরও পাশে চেয়েছেন জেলেনস্কি।

আরও পড়ুন-বেকারত্ব ও মূল্যবৃদ্ধির ফাঁসে জেরবার এদেশের আমজনতা

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে আমেরিকার কূটনৈতিক অবস্থান ঘিরে গোটা বিশ্ব আলোড়িত। ট্রাম্প ইউক্রেনকে ন্যাটোয় নিতে রাজি না হতেই ইউরোপে ‘নতুন বন্ধু’র খোঁজ শুরু করেছেন জেলেনস্কি। একইসঙ্গে যুদ্ধ থামানোর জন্য কোনও পথ বন্ধ রাখছেন না তিনি। সংবাদ সংস্থা এপি সূত্রে খবর, রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে পৌঁছে গিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। সেখানেই রাশিয়ার সঙ্গে আমেরিকার বৈঠকের কথা রয়েছে। নতুন পরিস্থিতিতে জেলেনস্কি মনে করছেন, রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর কোনও ইচ্ছাই নেই পুতিনের। সে জন্য ইউরোপীয় দেশগুলিকে পাশে পেতে চাইছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট। সম্প্রতি ইউরোপীয় দেশগুলির একটি মিলিত সামরিক বাহিনীর পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি। ঘটনাচক্রে, আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট নেটোয় ইউক্রেনকে যুক্ত করতে ট্রাম্পের অনীহার পরেই ইউরোপীয় সামরিক বাহিনীর কথা বলতে শোনা যাচ্ছে জেলেনস্কিকে।

Latest article