পদত্যাগ কেন, দিনভর চর্চা

উপরাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক পদ থেকে ধনকড়ের আচমকা ইস্তফার পিছনে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের চাপ ছিল কি না সেই প্রশ্ন তুলছেন বিরোধী সাংসদরা।

Must read

প্রতিবেদন: উপরাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যুতে মঙ্গলবার দিনভর বিরোধী শিবিরের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হল শাসক শিবির। যুক্তিগ্রাহ্য জবাব দিতে হিমশিম খেলেন বিজেপি সাংসদরা। প্রশ্ন উঠছে, সোমবার সারাদিন রাজ্যসভা স্বাভাবিকভাবে পরিচালনার পর কী এমন হল যে সরাসরি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাতে হল জগদীপ ধনকড়কে! উপরাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক পদ থেকে ধনকড়ের আচমকা ইস্তফার পিছনে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের চাপ ছিল কি না সেই প্রশ্ন তুলছেন বিরোধী সাংসদরা।

আরও পড়ুন-ভুয়ো জব কার্ড বাতিলের শীর্ষে বিজেপির উত্তরপ্রদেশ, তাহলে বাংলাকে কেন বঞ্চনা?

এই সূত্রেই উঠে এসেছে ধনকড়ের নিজের দেওয়া মাত্র ১১ দিন আগের একটি বার্তা। যেখানে সময়ের আগে ইস্তফার দাবি সটান উড়িয়ে ছিলেন তিনি নিজেই। রাষ্ট্রপতি তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করার পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইটে তাঁকে যে শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন তাতেই ইঙ্গিত, রাজনৈতিক চাপে সরে যেতে হয়েছে উপরাষ্ট্রপতি ধনকড়কে। উপরাষ্ট্রপতির আকস্মিক ইস্তফার সিদ্ধান্তের আসল কারণ কী, জানতে চেয়ে মঙ্গলবার উত্তাল থাকল রাজ্যসভা। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার কোনও উপরাষ্ট্রপতির ইস্তফা স্বাভাবিক নয় বলে দাবি বিরোধীদের। বিরোধীদের বিক্ষোভের জেরে মঙ্গলবার মুলতবি হয়ে যায় রাজ্যসভার অধিবেশন।

Latest article