হাতিদের গতিবিধিতে নজরদারি কন্ট্রোল রুম বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে

জঙ্গলের বেয়াড়া হাতিরা প্রতিনিয়ত জঙ্গল থেকে বেরিয়ে লোকালয়ে চলে আসে। তাণ্ডব চালায়। বাড়িঘর ভাঙে, ফসল নষ্ট করে।

Must read

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার : জঙ্গলের বেয়াড়া হাতিরা প্রতিনিয়ত জঙ্গল থেকে বেরিয়ে লোকালয়ে চলে আসে। তাণ্ডব চালায়। বাড়িঘর ভাঙে, ফসল নষ্ট করে। এমনকী সামনে মানুষ পড়ে গেলে আক্রমণও করে। এইভাবে প্রতিনিয়ত হাতি-মানুষ সংঘাত বেড়েই চলেছে। এই সংঘাত ঠেকাতে বক্সার সংরক্ষিত জঙ্গল লাগোয়া গ্রামগুলিতে নির্দিষ্ট জায়গায় এআই প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা প্রতিস্থাপন করে হাতিদের গতিবিধির উপর নজর রাখতে সর্বক্ষণের একটি সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুম খোলা হল বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প পশ্চিমের দফতরে। বনদফতরের তরফে জানানো হয় হাতি-মানুষ সংঘাত রুখতে প্রথম এই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হল। বহু বছর ধরে হাতিদের গতিবিধির ওপর সমীক্ষা করে, গতিপথ খুঁজে বের করে বনদফতর শেষ পর্যন্ত এআই ক্যামেরা দিয়ে হাতিদের নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন-হরমনের নজর এবার বিশ্বকাপে

এই সমীক্ষায় ধরা পড়েছে, বিশেষ কয়েকটি পথ ব্যবহার করে রাত নামলেই হাতির দল জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসে। সেই নির্দিষ্ট পথগুলিকেই আপাতত এআই প্রযুক্তি নির্ভর ক্যামেরা দিয়ে নজরে রাখবে বন দফতর। এই ক্যামেরাগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত করা রয়েছে সেন্ট্রাল কন্ট্রোল রুমের মিনিটরের সঙ্গে। মোট ১১টি ক্যামেরার মধ্যে ৫টি ক্যামেরা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে দমনপুর, মাঝেরডাবরি চা-বাগান, গরম বস্তিতে, যার সাহায্যে বুনো হাতির দল আলিপুরদুয়ার শহরে ঢুকতে না পারে সেই ব্যবস্থা করা। ৩টি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে নিমতিঝোরা চা-বাগান, নিমতি ও দোমহনিতে। বাকি ৩টি ক্যামেরা প্রতিস্থাপন হয়েছে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প পূর্বের নারারথলি, মারাখাতা ও কার্তিকা এলাকায়। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা অপূর্ব সেন বলেন, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা লোকালয়ে হাতির অনুপ্রবেশ আটকানোর ব্যবস্থা করছি। আপাতত ১১টি ক্যামেরা লাগালেও ভবিষ্যতে ক্যামেরার সংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

Latest article