গোষ্ঠী-সংঘর্ষে আবার অগ্নিগর্ভ মণিপুর, হত ৫

মঙ্গলবার দু-পক্ষের লড়াই বাধে নোনি জেলায়। জেলা সদর নুংবা থেকে ৫০ কিমি দক্ষিণে। দেইভেংজাং জঙ্গলে ঘনঘন শোনা যায় গুলিবৃষ্টির শব্দ।

Must read

প্রতিবেদন : মেইতিদের সঙ্গে কুকিদের সংঘর্ষ নয়, এবারে কুকিদের দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল মণিপুর। মঙ্গলবার দু-পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল ৫ জঙ্গির। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, নিহত ৫ জন চিন কুকি মিজো আর্মির সদস্য। আগে কুকি ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকলেও বছর দুয়েক আগে ভাঙন ধরে সংগঠনে। তৈরি হয় চিন কুকি মিজো আর্মি নামে নতুন সংগঠন।

আরও পড়ুন-বিজেপির ভাষা-সন্ত্রাসের প্রতিবাদ তৃণমূলের বিক্ষোভে উত্তাল সংসদ

মঙ্গলবার দু-পক্ষের লড়াই বাধে নোনি জেলায়। জেলা সদর নুংবা থেকে ৫০ কিমি দক্ষিণে। দেইভেংজাং জঙ্গলে ঘনঘন শোনা যায় গুলিবৃষ্টির শব্দ। ঘটনাস্থল কার্যত বিচ্ছিন্ন এলাকা হওয়ায় প্রশাসনের কাছে খবর এসে পৌঁছোয় অনেক দেরিতে। ফলে পুলিশ এবং নিরাপত্তাবাহিনীর অকুস্থলে পৌঁছতেও অনেক দেরি হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ভারত-মায়ানমার সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেই কুকিদের ২ গোষ্ঠীর মধ্যে এই সংঘর্ষ। লক্ষণীয়, ২০২৩-এর মে থেকে লাগাতার হিংসা চলে আসছে মণিপুরে। প্রাণ হারিয়েছেন ২৫০-রও বেশি মানুষ। ঘরছাড়া প্রায় ৬০,০০০। শান্তি ফেরাতে বিজেপি সরকারের চূড়ান্ত ব্যর্থতার পরে রাজ্যে জারি হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। কিন্তু তার পরেও শান্ত হয়নি মণিপুর। সমাধানসূত্রের খোঁজে সাসপেনশন অফ অপারেশন চুক্তি হয় কয়েকটি কুকি সংগঠনের সঙ্গে। কিন্তু চিন কুকি মিজো আর্মি কিংবা ইউনাইটেড কুকি ন্যাশনাল আর্মি এই চুক্তির আওতায় নেই।

Latest article