প্রতিবেদন : এসআইআর প্রত্যাহারের দাবিতে এবার আরও জোরদার আন্দোলন সংগঠিত হতে চলেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বে আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করবে ইন্ডিয়া জোট। আগামী সপ্তাহের বুধ বা বৃহস্পতিবার হতে পারে এই ঘেরাও-কর্মসূচি৷ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে সহমত হয়েই বিরোধী শিবির এই ঘেরাও-কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবারও এসআইআর প্রত্যাহারের দাবিতে সংসদ উত্তাল করে রাখে বিরোধী শিবির৷ তৃণমূল সাংসদদের নেতৃত্বে সংসদ-চত্বরে বিক্ষোভ-কর্মসূচিও পালিত হয়।
আরও পড়ুন-এবার এনআরসি নোটিশ কোচবিহারের মোমিনাকে
এদিন লোকসভা ও রাজ্যসভা— দুটি কক্ষেই এসআইআর ইস্যুতে সংসদীয় কক্ষে আলোচনার দাবি জানিয়ে একাধিক নোটিশ পেশ করেন তৃণমূল সাংসদেরা৷ লোকসভায় মূলতুবি প্রস্তাব আনার দাবি জানিয়ে নোটিশ দেন তৃণমূলের ডেপুটি লিডার ডাঃ কাকলি ঘোষদস্তিদার। এই নোটিশ খারিজ করার পরে সংসদ-পরিসরে ধরনা দেন তৃণমূল সাংসদ-সহ বিরোধী শিবিরের প্রথম সারির সাংসদেরা৷ ধরনায় ছিলেন সাংসদ মালা রায়,
শতাব্দী রায়, মৌসম নুর, নাদিমুল হক, ডেরেক ও’ব্রায়ান, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রতিমা মন্ডল, মিতালী বাগ, বাপি হালদার, দোলা সেন, সাগরিকা ঘোষ প্রমুখ৷ তাঁদের হাতে থাকা পোস্টারে লেখা ছিল, ‘চুপি চুপি ভোটে কারচুপি বন্ধ করো’৷ কোনওভাবেই এই ইস্যুতে সুর নরম করবে না জানিয়ে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন বলেন, ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন’ হ্যায় এটা চলতে দেব না আমরা৷ এসআইআরের নামে সরকারকে এনআরসি করতে দেব না৷ সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার কাড়তে দেব না৷ আগামী দিনেও সংসদের ভিতরে ও বাইরে দু-জায়গাতেই বিক্ষোভ দেখাবে বিরোধী শিবির, যেখানে সব ভাষাতে তৈরি করা হবে পোস্টার।