এসআইআর–এর প্রতিবাদে বিহারের (TMC-Bihar) পাটনায় ভোটার অধিকার যাত্রায় অংশ নেবে তৃণমূল কংগ্রেসও। আগামী ১ সেপ্টেম্বর ভোটার অধিকার যাত্রা শেষ হবে পাটনায়। কংগ্রেস ও আরজেডির ডাকে এই ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’য় তৃণমূল যোগ দেবে পাটনায়। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দু’জন প্রতিনিধি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে পদযাত্রায় অংশ নিতে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর পাটনায় ভোটার অধিকার যাত্রার শেষ দিনে বিরোধী জোটের শরিক দলগুলির প্রতিনিধিরা সেই পদযাত্রায় অংশ নেবেন। তৃণমূলের তরফে থাকবেন মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান ও উত্তরপ্রদেশের তৃণমূল নেতা ললিতেশপতি ত্রিপাঠি।
বিহারে (TMC-Bihar) এসআইআর অর্থাৎ বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর মানে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে বিশাল পদযাত্রার ডাক দিয়েছিল কংগ্রেস ও আরজেডি। প্রথমে ঠিক ছিল, পাটনার গান্ধী ময়দানে জনসভা করে ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’ শেষ হবে। কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছতে পদযাত্রা করা হবে পাটনায়। এসআইআর-এর প্রতিবাদে বিরোধী জোট যে ঐক্যবদ্ধ তার জানান দিতেই সমস্ত দলের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন এই পদযাত্রায়। সেই মতো তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বিষয়টি জানানো হয়। রাহুল-তেজস্বীদের আমন্ত্রণে পাটনায় ভোটার অধিকার পদযাত্রায় অংশ নিতে ইউসুফ ও ললিতেশকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দলের তরফে।
আরও পড়ুন- জোর ধাক্কা খেল ট্রাম্পের শুল্ক নীতি, ‘বেআইনি’ ঘোষণা মার্কিন আদালতের
উল্লেখ্য, বিহারের খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ৬৫ লক্ষেরও বেশি মানুষের নাম বাদ পড়েছে। বহু মানুষকে মৃত বলে দেখানো হয়েছে। সেই সমস্ত ‘মৃত’ ভোটারদের সঙ্গে চা খেয়েছেন রাহুল গান্ধী। বিহারে নির্বাচনের আগে বিজেপির হাতের পুতুল কমিশনের এসআইআরের চক্রান্তের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে গোটা ইন্ডিয়া। শুধু বিহারেই নয়, দেশের সব রাজ্যেই কমিশন এসআইআর করতে চায়। প্রতিবাদে বিহারের সাসারাম থেকে ১৭ অগস্ট ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’ শুরু করেন রাহুল গান্ধীরা। বিহারের ২৩টি জেলা ঘুরে প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার পর এই যাত্রা ১ সেপ্টেম্বর শেষ হবে পাটনায়।