প্রতিবেদন : শেষপর্যন্ত মৃত্যু হল বাংলাদেশের (bangladesh) ব্যবসায়ী খোকন দাসের। বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার শরিয়তপুরে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে তারপর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁর। তিনদিন লড়াইয়ের পর ঢাকার হাসপাতালে খোকন দাসের মৃত্যু হল শনিবার সকালে। এই মৃত্যুতে নতুন করে প্রশ্ন উঠল মহম্মদ ইউনুসের বাংলাদেশে(bangladesh) সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে। ইতিমধ্যেই এই ইস্যুকে তুলে ধরে সুর চড়িয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারিক রহমান। তৃণমূল স্পষ্ট জানিয়েছে, ভূ-রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার প্রশ্নে আমরা সর্বদা দেশের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে সমর্থন করেছি। কিন্তু এই ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের মুখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের নীরবতা সম্পূর্ণরূপে অজানা ও বোধগম্য নয়। কী ধরনের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু হয়েছে? ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে? সে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এরপর আবার সাম্প্রদায়িক আগুনে ঘি ঢেলে বাংলায় অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছেন বিজেপির নেতারা। এটি দায়িত্বজ্ঞানহীন, বিপজ্জনক প্রবণতা।

