এসআইআর কাড়ল আরও ৩ জনের প্রাণ

Must read

প্রতিবেদন : এসআইআর (SIR) আবহে রাজ্যে মৃত্যুমিছিল অব্যাহত। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার পর্যন্ত সার-শুনানির আতঙ্কে রাজ্যের দক্ষিণে হুগলি ও হিঙ্গলগঞ্জে প্রাণ হারিয়েছেন দুই বৃদ্ধ। আবার কোচবিহারে অতিরিক্ত কাজের চাপে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক বিএলও-র। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে কোচবিহারের বানেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ইছামারি এলাকায় এসআইআর সংক্রান্ত কাজের চাপে মৃত্যু হয়েছে বিএলও আশিস ধরের। বানেশ্বর সার্কেলের পূর্ব গোপালপুর চতুর্থ পরিকল্পনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আশিস কোচবিহার উত্তর বিধানসভার ইচ্ছামারি এলাকার ৩/১০৩ নং বুথে বিএলও-র দায়িত্বে ছিলেন। এদিন খবর পেয়েই মৃতের বাড়িতে যান তৃণমূল জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। অন্যদিকে, হুগলির রিষড়ায় এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েই প্রবল দুশ্চিন্তা থেকে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক বৃদ্ধের

আরও পড়ুন-কারাকাসে বোমাবর্ষণ বন্দি সস্ত্রীক প্রেসিডেন্ট

জানা গিয়েছে, ৪ জানুয়ারি শুনানিতে হাজির থাকার জন্য নোটিশ পেয়েছিলেন রিষড়ার ৮৫ বছরের ধনঞ্জয় চতুর্বেদী। পরিবারের অভিযোগ, নোটিশ পাওয়ার পর থেকেই চিন্তিত ছিলেন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থতার জন্য বাড়িতেই শয্যাশায়ী ছিলেন। শনিবার সকালে গুরুতর অসুস্থতার কারণে তাঁকে রিষড়া মাতৃসদন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় বৃদ্ধের। মৃতের ছেলে রাজেন্দ্র চতুর্বেদী বলেন, শুনানিতে কোথায় যেতে হবে, কী করে যাবে, নাম বাদ গেলে কী হবে— এসব নিয়েই চিন্তিত ছিলেন বাবা। একইসঙ্গে, হিঙ্গলগঞ্জেও বউমাকে শুনানির নোটিশ পাঠানোয় দুশ্চিন্তা থেকে প্রাণ হারিয়েছেন এক বৃদ্ধ। মৃতের নাম অসিত কুণ্ডু (৮০)। খবর পেয়েই হিঙ্গলগঞ্জের বিধায়ক দেবেশ মণ্ডল মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পাশে থাকার বার্তা দেন। বিধায়ক জানিয়েছেন, ভাণ্ডারখালির দুলদুলি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬৩ নং বুথের বাসিন্দা অসিত কুণ্ডু। কয়েকদিন আগে তাঁর বউমা রত্না দে কুণ্ডুর নামে শুনানির চিঠি আসে। তারপর থেকেই বৃদ্ধ আতঙ্কে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবশেষে শনিবার ভোররাতে মৃত্যু হয় তাঁর।

Latest article