সকাল থেকেই সল্টলেকের আইপ্যাক দফতরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযান চলছে। দুপুর প্রায় ১২টা নাগাদ, তল্লাশি চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী লাউডন স্ট্রিটে যান আর সেখান থেকেই চলে যান সল্টলেকে ইডি অফিসে। বেলা ১২টা ৪৪ মিনিট নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী বেসমেন্ট দিয়ে I-Pac-এর অফিসে ঢোকে। সঙ্গে আছেন সুজিত বসু ও কৃষ্ণা চক্রবর্তী। ইডির তল্লাশি চলাকালীন আইপ্যাকের অফিস থেকে একাধিক ফাইল নীচে নামিয়ে একটি গাড়িতে তুলে দেওয়া হয় কিন্তু সেগুলি কীসের ফাইল, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। ফাইলগুলির মধ্যে I-Pac-এর লোগো ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের লোগো রয়েছে। ওই গাড়ি ঘিরে রেখেছেন একাধিক পুলিশ কর্মী। ইতিমধ্যেই ব়্যাফ নামিয়েছে পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে ইডির তরফে। সব মিলিয়ে ইডির এই তল্লাশি অভিযানে উত্তেজনা তুঙ্গে। আপাতত সেখানেই রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন-আজব দাবি! বিজেপি রাজ্যে সরকারি গুদামের ২৬ হাজার কুইন্টাল ধান খেয়েছে ইঁদুর, উইপোকা
ইডি অভিযানের মাঝে এবার প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অর্থাৎ ইডি আধিকারিকরা বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন। সেখানে প্রথমে কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ বার্মা পৌঁছে যান। তার কিছুক্ষনের মধ্যেই সেখানে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে ঢুকে একটি সবুজ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন। অভিযোগ করেন, ”আমাদের IT অফিসে হানা দিয়ে আমাদের পার্টির সমস্ত হার্ড ডিস্ক নিয়ে নিতে চাইছে। আমাদের পার্টির সমস্ত ডকুমেন্ট হাতিয়ে নিতে চাইছে। পার্টি প্ল্যান, পার্টি স্ট্র্যাটেজি এবং প্রার্থী তালিকা সহ সমস্ত তথ্য রয়েছে যে নথিগুলিতে, সেগুলি হাতানোর চেষ্টা। ন্যাস্টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উনি দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। এটা অমিত শাহের কাজ? SIR-এ এত লোকের নাম বাদ দিয়ে হল না?”

