প্রতিবেদন : নিজেদের মধ্যেই ফের অন্তর্কলহে জড়াল নন্দীগ্রামের বিজেপি (BJP_Nandigram) নেতৃত্ব। নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের অধীন গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের শিমুলকুণ্ডুতে স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি অশোক করণের উদ্যোগে কম্বল বিলির অনুষ্ঠান পরিণত হল রক্তক্ষয়ী রণক্ষেত্রে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল ও জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ মাইতি। অনুষ্ঠান চলাকালীনই প্রকাশ্যে বচসায় জড়ান দুজনে। শুক্রবারের এই ঘটনায় আদতে বিজেপির আদি ও নব্য গোষ্ঠীর আধিপত্যের লড়াই সামনে এল। বচসা থেকে হাতাহাতির জেরে গুরুতর জখম হন মেঘনাদ পাল, অভিজিৎ মাইতি ও অশোক করণ। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, গোকুলনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্নীতি নিয়ে বচসা থেকে এক পক্ষের দিলীপ ঘোষের নামে স্লোগানের পাল্টা হিসাবে অন্য পক্ষ গদ্দার অধিকারীর নামে স্লোগান দিতে থাকে। নেতাদের সামনে রেখে এই বাকযুদ্ধ মুহূর্তে হাতাহাতিতে পরিণত হলে খবর পেয়ে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। বিজেপির নিজেদের মধ্যে এই কাদা ছোঁড়াছুড়ি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে তৃণমূল নেতা বাপ্পাদিত্য গর্গ বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামে গোষ্ঠীসংঘর্ষে জর্জরিত বিজেপি (BJP_Nandigram)। গদ্দারকে নন্দীগ্রামের আদি বিজেপি নেতারা মেনে নিতে পারছেন না। সম্প্রতি দিলীপ ঘোষ সক্রিয় হয়েছেন। এরপরেই আদি বিজেপি নেতারাও সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ফলে প্রতিদিনই আদি-নব্য বিজেপি নেতারা নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়াচ্ছেন।

