প্রতিবেদন : এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর ঘটনা ক্রমশ রেকর্ড করতে চলেছে। শনিবার ফের দু’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। শুনানিতে এসে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে রামপুরহাট পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাঞ্চনকুমার মণ্ডলের। আরেকটি সোদপুরের। শুনানির নোটিশ পাওয়ার পর ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ছয়দিন কোমায় থাকার পর মৃত্যু হল সোদপুরের ৭৫ বছরের বৃদ্ধার। নাম অলকা বিশ্বাস। দুটি ঘটনাতেই মৃত্যুর দায় নিতে হবে কেন্দ্রীয় সরকারকে, দাবি তুলেছে তৃণমূল। পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।
আরও পড়ুন-মহারাষ্ট্রে ফের খুন বাঙালি শ্রমিককে
রামপুরহাট পুরপ্রধান সৌমেন ভকত কাঞ্চনকুমারের আকস্মিক মৃত্যুতে দুঃখপ্রকাশ করে বলেছেন, নিরীহ প্রবীণদের শুনানির অছিলায় ডেকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। যা খুনের সমান অপরাধ। মেডিক্যাল কলেজে কাঞ্চনকুমারের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ডেপুটি স্পিকার তথা স্থানীয় বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। আশিস জানিয়েছেন, কাঞ্চনকুমার সুস্থ অবস্থাতেই শনিবার সকালে শুনানির হাজিরা দিতে এসেছিলেন। সেখানেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এই মৃত্যুর দায় কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেরও।
আরেক ঘটনায় শুনানির নোটিশ পাওয়ার পর ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ছয়দিন কোমায় থাকার পর মৃত্যু হল সোদপুরের বৃদ্ধা অলকা বিশ্বাসের। উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলার বিলকান্দা ১ নম্বর পঞ্চায়েতের তালবান্দা উত্তরপাড়ার বাসিন্দা। ৪ জানুয়ারি বাড়িতে নোটিশ আসে। পরিবারের দাবি, তার পরই ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। শনিবার বৃদ্ধার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া এলাকায়।
খবর পাওয়ার পরই ঘটনাস্থলে যান খড়দহের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও বিলকান্দা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রবীর দাস। সেখানে নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তাঁরা।

