নয়াদিল্লি: জানুয়ারি শুরু থেকে হাড়হিম করা ঠান্ডায় কাঁপছে দিল্লি সহ গোটা উত্তর ভারত। সঙ্গে চলছে শৈত্যপ্রবাহের দাপট। প্রত্যেকদিন পারদ পতন হচ্ছে। সোমবার দিল্লি-সহ হরিয়ানা, গাজিয়াবাদ, উত্তরপ্রদেশে এই মরশুমের শীতলতম দিন জানিয়েছে মৌসম ভবন। এদিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবারই মরশুমের শীতলতম দিন জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। দিল্লির গ্রামাঞ্চলে ও হরিয়ানার একাধিক জেলা গুরুগ্রামে শূন্যের নিচে নেমে গেছে তাপমাত্রা। হিসার, পালবাল, রোহতক ফাকা জায়গার ঠান্ডায় দাপটে সোমবার বরফের আস্তরণ দেখা গেছে। ঠান্ডায় ঘরে থেকে খোলা আকাশের নিচে বের হতে পারছে না সাধারণ মানুষ। একইরকম জবুথবু অবস্থা মরুরাজ্য রাজস্থানেও। এরই মধ্যে আবহাওয়া মৌসম ভবনের জানিয়েছে আগামী সপ্তাহ প্রবল ঠান্ডা সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ প্রকোপ অব্যাহত থাকবে। গুরুগ্রামে এদিনের ০.৬ ডিগ্রি নিচে তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে মৌসম ভবন। এমনকী দিল্লি আশপাশের রাজ্য উত্তরাখণ্ড, হিমাচল ও কাশ্মীরে প্রবল তুষারপাতের কারণেই কনকনে ঠান্ডায় প্রকোপ বাড়ছে সমতলে, মত আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের।
আরও পড়ুন-হ্যারিস-ঝড়ে উড়ে গেল ইউপি
আইএমডির পূর্বাভাস, দিল্লি এবং আশপাশের অঞ্চল জুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধির আগে আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি কম থাকতে পারে। রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দেবভুমি উত্তরাখণ্ড তীব্র ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা এবং বরফের আস্তরণে ঢাকা পড়েছে। হরিদ্বার জনাকীর্ণ হর কি পৌরীকে একবারে জনহীন। যা সচরাচর দেখা যায় না। বাগেশ্বর, চামোলি এবং উত্তরকাশীর মতো জেলাগুলিতে জলের পাইপ লাইনে বরফে জমে গিয়েছে। এর ফলে সাধারণ জনজীবনে ব্যহত হচ্ছে।
ঠান্ডার প্রকোপে বেশ কয়েকটি এলাকায় স্কুল বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে প্রসাশন। শৈত্যপ্রবাহ না কমলে এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিক না হলে উত্তরপ্রদেশে, দিল্লি গাজিয়াবাদ ও গুরুগ্রামে স্কুল বন্ধ থাকবে জানিয়েছে জেলা প্রসাশন। আপাতত ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ছোটদের ক্লাস বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রদের জন্য স্কুল ১০টা থেকে ৩টা পর্যন্ত সময় পরিবর্তন করা হয়েছে।

