নরখাদক অভিযোগে শ্মশানবাসীকে হত্যায় ধৃত অভিযুক্ত

মৃতদেহের মাংস খেতেই খুন! সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে খুনের কিনারা নিয়ে এমনই বিস্ফোরক তথ্য দিলেন দিনহাটা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধিমান মিত্র।

Must read

মৃতদেহের মাংস খেতেই খুন! সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে খুনের কিনারা নিয়ে এমনই বিস্ফোরক তথ্য দিলেন দিনহাটা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধিমান মিত্র। এসডিপিও (SDPO) এই ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, গত ১০ জানুয়ারি দিনহাটার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা কুর্শাহাটের একটি প্রত্যন্ত শ্মশান থেকে অজ্ঞাত পরিচিত মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদেহের গলায় ও কাঁধে গভীর ক্ষতের চিহ্ন ছিল। খুনের মামলা রুজু করে দিনহাটা সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ তদন্তে নামে। তদন্তে একই এলাকার থরাইখানা গ্রামের ফেরদৌস আলম নামের এক অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করা হয়। যুবককে জেরা করে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান থেকে পুলিশ জানতে পারে নেশাগ্রস্ত যুবক ফেরদৌস আলম এই অজ্ঞাত পরিচিত ব্যক্তিকে খুন করেছেন এবং খুনের পর সেই ব্যক্তিকে নিজে তার বাড়িতে নিয়ে এসে দেহ পরিষ্কার করেন। মৃতদেহের মাংস খাওয়ার জন্যই টার্গেটকে বেছে নেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই পুলিশ অভিযুক্তকে চারদিনের হেফাজতে নিয়েছে।

আরও পড়ুন-তপসিয়ায় বাস উল্টে জখম কমপক্ষে ১২

জানা গিয়েছে, খুন করে দেহের মাংস খাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন অভিযুক্ত। সেই দেহ কলের জলে ধুয়ে খাওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। পুলিশ তদন্তে নেমে প্রাথমিক ভাবে গলায় কাঁধে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের দাগ দেখতে পায়। রাতে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে পুলিশ। তবে সেই এলাকায় সিসিটিভি ফুটেজ না থাকায় তদন্তে নেমে অভিযুক্তের খোঁজে বিপাকে পড়তে হয় পুলিশকে। অল্প সময়ের মধ্যেই লাগোয়া গ্রামের বাসিন্দা এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্ত নিজে ভবঘুরে ও মদ্যপ। এর আগেও বহুবার তিনি নেশামুক্তি কেন্দ্রে ছিলেন। তবে এভাবে খুনের পরিকল্পনা করতে পারে তা আঁচ করতে পারেন নি গ্রামবাসীরা।

Latest article