সংবাদদাতা, গঙ্গাসাগর : আজ সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নানের জন্য রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি দেশের নানা রাজ্য থেকে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী এসে পৌঁছেছেন। মাহেন্দ্রক্ষণের আগেই মঙ্গলবার পর্যন্ত ৬০ লক্ষ পুণ্যার্থী সাগরের পুণ্যস্নান সেরেছেন। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এদিনের বৈঠকে ছিলেন মন্ত্রী পুলক রায়, সুজিত বসু, মানস ভুঁইয়া, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, বেচারাম মান্না, বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, সাংসদ বাপি হালদার-সহ রাজ্য ও জেলা আধিকারিকর।
আরও পড়ুন-মকর সংক্রান্তিতেই সূচনা হল ঐতিহ্যবাহী জয়দেবের মেলার
অরূপ বিশ্বাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৯ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারী অবধি গঙ্গাসাগর মেলায় আগত তীর্থযাত্রীদের জন্য মাথা পিছু পাঁচ লক্ষ টাকার দুর্ঘটনাকালীন জীবনবিমা ঘোষণা করেছেন। তীর্থযাত্রী, সরকারি কর্মী, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক, পরিবহণকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবীরা বিমার আওতায় রয়েছেন। বিপুল ভিড় দক্ষতার সঙ্গে সামলাচ্ছে পুলিশ-প্রশাসন। সাগরসঙ্গমে পুণ্যস্নানের স্মৃতি অক্ষয় করে রাখতে তীর্থযাত্রীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিজের ছবি সম্বলিত শংসাপত্র এবার পেয়ে যাচ্ছেন। সাগরে বন্ধন ফটোবুথে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪.৫ লক্ষ পুণ্যার্থী ছবি সম্বলিত শংসাপত্র সংগ্রহ করেছেন। কপিলমুনির আশীর্বাদে জীবনের সব দুঃখ-কষ্ট দূর হোক, এই কামনাতেই গঙ্গাসাগরে সমবেত হয়েছে মানুষের ঢল। প্রায় ৬০ লক্ষের বেশি পুণ্যার্থীরা গঙ্গাসাগরে এসে গিয়েছিল মঙ্গলবারের মধ্যেই। মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার বলেন, গঙ্গাসাগরকে রাজ্যের এক আবেগপূর্ণ জায়গা। এখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা আসে। তাঁদেরকে সহযোগিতা করতে তাঁরা সুন্দরভাবে যাতে কপিলমুনির মন্দিরে পুজো দিতে পারেন তার জন্য রাজ্য সরকার একাধিক ব্যবস্থা করেছে।

