সংবাদদাতা, কোচবিহার ও রায়গঞ্জ : বিজেপির কথায় চলছে নির্বাচন কমিশন। চক্রান্ত করে এসাআইরের নামে বাংলার বৈধ ভোটারদের হয়রান করা হচ্ছে। কমিশনের এই আমানবিকতায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষও। বৈধ ভোটরদের হয়রানির প্রতিবাদে গর্জে উঠল তৃণমূল। জেলায় জেলায় পোস্টার, ব্যানার হাতে নেমেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। চলছে অবস্থানও। এই আন্দোলনে দলীয় কর্মীরাও ছাড়াও যোগ দিয়েছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষও। বুধবার দিনহাটা শহরের সুভাষ ভবন থেকে প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়ে দিনহাটা মহকুমা শাসক দপ্তরের সামনের এসে শেষ হয়। এরপর মহকুমা শাসক দপ্তরের সামনে বক্তব্য রাখেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। পরবর্তীতে দিনহাটা মহকুমা শাসককে স্মারকলিপি দেন তারা। এদিন দিনহাটা ও সিতাই বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির ডাকে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। পাঁচ বছর মন্ত্রী ছিল নিশীথ প্রামাণিক। কোচবিহারের জন্য কী করেছে? প্রশ্ন তোলেন সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়া। সাংসদ বলেন, হেয়ারিংয়ের নামে হয়রানি চলছে। বিজেপি নেতারা গ্রামে যায় তবে গাছে দড়ি বেঁধে রেখে এর জবাব চাওয়ার কথা বলেন তিনি। এদিকে, উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদে হল অবস্থান।
আরও পড়ুন-বৃদ্ধ প্রতিবন্ধী দম্পতি শুনানি কেন্দ্রে, প্রশ্নের মুখে কমিশন
বুধবার উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদ বিডিও অফিসের সামনে এক বিশাল অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটার তালিকার এই শুনানির নামে সাধারণ মানুষকে অহেতুক বিডিও অফিসে ডেকে এনে চরম দুর্ভোগে ফেলা হচ্ছে। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হেমতাবাদের বিধায়ক তথা রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন, জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী চৈতালী ঘোষ সাহা, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সেলিমা খাতুন, জেলা পরিষদের সদস্যা মকলেসা খাতুন এবং হেমতাবাদ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি আশরাফুল আলি-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। ব্লক সভাপতি আশরাফুল আলি জানান, হেমতাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ৩২ হাজার মানুষকে শুনানির জন্য বিডিও অফিসে
ডাকা হয়েছে।

