সংবাদদাতা, চন্দ্রকোনা : কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির চক্রান্তের পাশাপাশি দলবদলু অধিকারীর কনভয়ে হামলার মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে প্রতিবাদ মিছিলে শামিল হল তৃণমূল। বিজেপির চন্দ্রকোনা রোড-কাণ্ডের জবাবে পাল্টা বিক্ষোভ মিছিলে পা মেলালেন কয়েক হাজার তৃণমূল নেতা-কর্মী। বুধবার সাতবাঁকুড়া থেকে চন্দ্রকোণা রোড চক পর্যন্ত এই মিছিল হয়।
আরও পড়ুন-ইডেনে ফের বাংলাদেশ ম্যাচের টিকিট বিক্রি শুরু
মিছিলে কয়েক হাজার মানুষের সঙ্গে হাঁটেন তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য, মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজয় হাজরা, জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী, গড়বেতা বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর নির্মল ঘোষ-সহ জেলার প্রথম সারির নেতারা। তৃণমূল নেতারা জানান, মিছিলে প্রায় ৮ হাজার মানুষের সমাগম হয়। মিছিল থেকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের শপথ নেন নেতারা। পরে ভিড়ে ঠাসা পথসভায় দেবাংশু বলেন, নিজেদের কর্মীদের নিজেরাই মারধর করল। এরপর নিজেরাই আবার বিক্ষোভের নাটক করল। ইচ্ছে করে বিজেপি পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করেছে। এই মিছিল দেখার পর বিজেপিও ভাবছে, চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওরা চেষ্টা করছে ৫০টি আসন পেতে। তিনি আরও বলেন, আবার বিজেপি নেতারা ডেলি প্যাসেঞ্জারি শুরু করেছেন। তাঁদের নাটক মানুষ বুঝতে পারছেন। এই জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বিপুল সংখ্যক মানুষ যখন সমস্যায় পড়েছিলেন তখন নরেন্দ্র মোদি-সহ বিজেপির প্রথম সারির নেতাদের দেখা মেলেনি। জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজয় হাজরা, জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী বলেন, বিজেপির নেতারা পরিকল্পনা করে চন্দ্রকোণা রোড-কাণ্ড ঘটিয়েছে। ইস্যু না পেয়ে বিজেপি নেতাদের নাটক সাধারণ মানুষ বুঝতে পারছেন। নির্মল ঘোষ বলেন, আজকের জনসমুদ্র দেখে বিজেপি ভয় পেয়েছে। আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। ২০২৬ সালের পর বিজেপি দলটারই অস্তিত্ব থাকবে না।

