ট্রাম্পকে রাজি করাল সৌদি, কাতার ও ওমান

অন্যদিকে তেহরানও পাল্টা হুমকি দিয়ে বলে, মার্কিন হামলা হলে তারা ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও জাহাজে আঘাত হানবে।

Must read

তেহরান: ইরানে যাতে এখনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালায় সেজন্য খামেনেই প্রশাসনকে আরও একবার সুযোগ দেওয়া হোক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লাগাতার হুমকির মুখে যখন প্রত্যাঘাতের পালটা হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান, তখন বিশেষ উদ্যোগ নিল পশ্চিম এশিয়ার তিন প্রভাবশালী মুসলিম দেশ। জানা গিয়েছে, এখনই হামলা না চালিয়ে ইরানকে আরও একবার ‘সুযোগ দেওয়ার’ জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে সৌদি আরব, কাতার ও ওমান। ইরানে মার্কিন হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে তার ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় উপসাগরীয় এই তিন দেশ সম্মিলিতভাবে এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়েছে।

আরও পড়ুন-বঙ্কিমচন্দ্রকে হাতিয়ার করেই ভোট বৈতরণী পার হওয়ার বাসনা মোদির

সংবাদসংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌদি আরবের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই রফার খবর জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরান যাতে তার সদিচ্ছা প্রদর্শন করার সুযোগ পায়, সেজন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে রাজি করাতে দীর্ঘসময় ধরে মরিয়া কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছে এই তিন মুসলিম দেশ। তিনি আরও জানান, এই বিষয়ে আলোচনা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন-SIR : আত্মঘাতী রাজবংশী মহিলা

ইতিমধ্যে ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর খামেনেই প্রশাসনের দমন-পীড়নের জেরে মার্কিন হামলার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রকাশ্যেই ইরানের বিক্ষোভকারীদের সমর্থন জানান ট্রাম্প। বলেন, খামেনেই প্রশাসনের পতন সময়ের অপেক্ষা। এরমধ্যে যদি কোনও বিক্ষোভকারীকে ফাঁসি দেয় ইরান তাহলে তার ফল মারাত্মক হবে। এই চাপানউতোরের মাঝেই বুধবার কাতারের একটি প্রধান মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে কিছু কর্মীকে সরিয়ে নেয় আমেরিকা। এছাড়া সৌদি আরব ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন মিশন কর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে তেহরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা বাড়তে থাকে। অন্যদিকে তেহরানও পাল্টা হুমকি দিয়ে বলে, মার্কিন হামলা হলে তারা ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও জাহাজে আঘাত হানবে।

Latest article