প্রতিবেদন: প্রযুক্তির উদ্ভাবন বইকে হত্যা করতে পারেনি। আর সেই কারণেই কলকাতা বইমেলা হোক বা লিটল ম্যাগাজিন মেলা সব জায়গাতেই পাঠকের আনাগোনা লেগে রয়েছে। শুক্রবার বই প্রকাশ অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন শিক্ষামন্ত্রী তথা নাট্যকার তথা লেখক ব্রাত্য বসু। এদিন পশ্চিমবঙ্গ বাংলা একাডেমিতে ব্রাত্য বসুর লেখা ‘বাহিরের এই ভিক্ষা ভরা থালি’, ‘নোটে গাছ ও অন্যান্য লেখা’ এবং সুবোধ সরকারের লেখা‘মোছা কি যায় হোয়াইটওয়াশে’ তিনটি বই প্রকাশের অনুষ্ঠান ছিল।
আরও পড়ুন-আজ সিঙ্গুরে তৃণমূলের প্রতিবাদ সভা
একে অপরের বই প্রকাশ করে ফিরে যান পুরনো দিনের স্মৃতিতে। একসময়ের সহকর্মী দু’জন নিজেদের কলেজ জীবনের কথা ভাগ করে নেন। কিভাবে ইন্টারভিউর দিন থেকে ধীরে ধীরে সুবোধ সরকারের কাছাকাছি এসেছেন সেই কথা জানান ব্রাত্য বসু। অপরদিকে, ব্রাত্য বসু কীভাবে লড়াই করে চারা গাছ থেকে আজকের এই মহীরুহে পরিণত হয়েছেন সে-কথা ব্যক্ত করেন কবি সুবোধ সরকার। ব্রাত্য বসুর এই লেখা যে আগামী দিনে মাইলস্টোন সৃষ্টি করবে তা অকপটে স্বীকার করেন কবি। ব্রাত্য বসুর বিচক্ষণতা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাবলীলভাবে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা, লেখার ঘরানা সবকিছু নিয়েই প্রশংসা করতে দ্বিধা করেননি সুবোধ সরকার। তেমন একইভাবে তেমন একইভাবে সুবোধ সরকার ব্রাত্য বসুর থেকে অনেকটা প্রবীণ হয়েও যেভাবে তাকে সমৃদ্ধ করেছেন তাতে কৃতজ্ঞতা জানাতে কার্পণ্য করেননি বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী। তবে শিক্ষা মন্ত্রীর এই শুধু নতুন দুটি বই নয়, এর আগে তার লেখা নির্বাচিত প্রবন্ধ নিয়ে এখনও মশগুল রয়েছেন কবি সুবোধ সরকার। সেই নির্বাচিত প্রবন্ধ পড়তে গিয়ে, এখনও ঘোর কাটিয়ে উঠতে পারেননি কবি।

