বিজেপির অঙ্গুলিহেলনেই কাজ কমিশনের। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার নামে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত। প্রমাণ হল নির্বাচন কমিশন বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়েছে। এই অভিযোগ শুরু থেকে করে আসছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার তা প্রমাণিত হল। উত্তর ২৪ পরগণার বসিরহাটের বিজেপির একটি চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে (এই চিঠির সত্যতা যাচাই করেনি জাগোবাংলা ডিজিটাল)। বিজেপি অফিস থেকে নাম বাদ, স্ক্রুটিনির নাম জমা পড়ছে। সেই অনুযায়ী কাজ করছে কমিশন!
আরও পড়ুন- মোদির সিঙ্গুর সফরের প্রাক্কালে দিদির সঙ্গে কোথায় ফারাক বোঝালেন সাংসদ
বিজপির সেই চিঠি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। একইসঙ্গে চিঠি নিয়ে বিজেপিকে তোপ দেগেছেন তিনি। চিঠিতে রয়েছে, “ভারতীয় জনতা পার্টি বসিরহাট দক্ষিণ মণ্ডল-৩ এর পক্ষ থেকে জানাচ্ছি যে গত ০৪/১২/২৫ তারিখে যে, ২৭৪ নং বুথে S/L No ৫৪৩ আবদুল সর্দার মণ্ডল ও ২৭৪ নং বুথে S/L No.৪৮৪ রুহুল আসিন মণ্ডল পিতা রহিম মণ্ডলের নাম জমা দেওয়া হয়েছিল। তা আমরা ভুলবশত জমা করি। পরে আমরা সরেজমিনে তদন্ত করে জানতে পারি যে এই দুই ব্যক্তি স্থায়ী ভারতীয় নাগরিক।
অতএব মাননীয় মহাশয় উক্ত ব্যক্তির নাম যাহাতে ভোটার লিস্টে ওঠে (নতুন) তাহার বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আমাদের বাধিত করিবেন।” চিঠির নীচে মণ্ডল সভাপতি (বিজেপির বসিরহাট দক্ষিণ মণ্ডল-৩) রনজিত দাসের স্বাক্ষরও রয়েছে।
এই চিঠির সত্যতা খতিয়ে দেখার দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। চিঠি সত্য হলে চক্রান্ত আবারও প্রমাণ হয়ে যাবে। ঠিক এভাবেই বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন রাজ্যে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে কার্যত একটি দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করেছে। প্রথমে ম্যাপিং, পরে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’-একের পর এক কৌশল নেওয়া হচ্ছে।

