চক্রান্তের উদ্দেশ্যে অভিষেকের নাম ভাসাল সিবিআই, পাল্টা কড়া বিবৃতি

Must read

প্রতিবেদন : উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চক্রান্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek banerjee) নাম ভাসিয়ে দিল সিবিআই। অথচ কে এই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর পরিচয় কী, তিনি কোথায় থাকেন? তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় কী? এসব কিছুই স্পষ্ট করা হয়নি। কিন্তু কেন এই ঘৃণ্য চক্রান্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সির? আসলে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্থা করতেই সিবিআই এভাবে তাঁর নাম ভাসিয়ে দিয়েছে। এই ঘটনায় পাল্টা কড়া বিবৃতি দেওয়া হয়েছে অভিষেকের পক্ষ থেকে। তাঁর আইনজীবী সঞ্জয় বসু লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আমার মক্কেল ইডি ও সিবিআইকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছেন। তাঁকে যখন যেখানে ডেকে পাঠানো হয়েছে, সেখানে হাজিরা দিয়েছেন। যে নথি চাওয়া হয়েছে, সেই নথি জমা দিয়েছেন। তারপরেও সিবিআই ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বদা ন্যায় ও সত্যের পথে চলেন। তিনি আরও লিখেছেন, মামলার তদন্তকারী সংস্থা ইডি আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে কোনও চার্জশিট দাখিল করেনি। তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধের কোনও উপাদানের উপস্থিতিও মেলেনি। তারপরেও অতিরিক্ত চার্জশিট আমার মক্কেলকে হয়রানির উদ্দেশ্য ছাড়া কিছুই নয়। সঞ্জয় বসু আরও জানিয়েছেন, সিবিআই তাদের চার্জশিটে যে দাবি করেছে তার সমর্থনে কোনও নথি বা প্রমাণ পেশ করতে পারেনি। তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চক্রান্ত হচ্ছে। যা থেকে স্পষ্ট, আমার মক্কেলকে ফের একবার অকারণে নিশানা করা হচ্ছে। এর আগে ইডি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek banerjee) কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছিল। কোনও প্রমাণ না পেয়ে কলকাতা হাইকোর্ট তার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। ইডিকে দিয়ে হেনস্থা করতে ব্যর্থ হয়ে রাজনৈতিক শক্তি এখন সিবিআইয়ের দিকে মুখ ঘুরিয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে নিজেদের কার্যসিদ্ধির চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। প্রমাণ না থাকলেও সন্দেহের উদ্রেক করার একটা মরিয়া চেষ্টা দেখা গিয়েছে সাম্প্রতিক চার্জশিটে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সিবিআই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করেছে। এই চেষ্টা ব্যর্থ হবে। পুরো বিষয় খতিয়ে না দেখেই এই মামলায় যেভাবে ব্যক্তিদের বয়ান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তা সিবিআই তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল।
প্রশ্ন উঠেছে, কেন সিবিআইকে মাঠে নামিয়ে এই চক্রান্ত করা হল? তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেন। বুক চিতিয়ে লড়াই করেন। রাজনৈতিভাবে তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে না পেরেই কি এই গভীর চক্রান্ত!

আরও পড়ুন- যোগীরাজ্যে সরকারি আবাসন নির্মাণেও দুর্নীতি?

Latest article