বহরমপুরে রোড শো থেকে বেলডাঙার অশান্তি নিয়ে একতিরে বিজেপি ও হুমায়ুন কবীরকেও তোপ দাগলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Beranjee)। শনিবার, রোড শো শেষে গাড়ির মাথায় দাঁড়িয়েই ভাষণ দেন অভিষেক। আর সেখান থেকেই নাম না করে হুমায়ুন কবীরকে (Humyun Kabir) তীব্র আক্রমণ করেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর অভিযোগ, বেলডাঙায় অশান্তিতে ইন্ধন দিচ্ছে বিজেপি এবং এই মাটিতে তৈরি হওয়া গদ্দার! একই সঙ্গে অভিষেকের আর্জি, কারও প্ররোচনায় কেউ পা দেবেন না। রাজ্যের তরফে মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও স্ত্রীকে চাকরির দেওয়ার কথা জানান অভিষেক।
এদিন বেলডাঙার অশান্তির প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তৃণমূলের সেনাপতি বলেন, ”সভায় আসার আগে বেলডাঙায় অশান্তির খবর পাই। দলের তরফে অনেকেই সভা না করার কথা বলা হয়েছিল। খোঁজ নিয়ে দেখলাম এই যে ঘটনাটি ঘটছে এর ইন্ধন দিচ্ছে বিজেপির বাবুরা। এই মাটিতে আরেকজন গদ্দার তৈরি হচ্ছে সে।” অভিষেক (Abhishek Beranjee) সাফ জানান, ”বহরমপুরে সভা করতে না আসলে গদ্দারদের অক্সিজেন দেওয়া হতো। ঘটনার পিছনে তাঁদের প্রত্যক্ষ মদত এবং ইন্ধন রয়েছে।”
এদিন অভিষেক বলেন, ”কোনও বুথে যদি কেউ BJP-র বিভাজনের রাজনীতির বীজ বপন করে তাহলে মুর্শিদাবাদ শোষিত হবে এবং BJP-র উন্নতি হবে। গতকাল বেলডাঙায় যা হয়েছে, সেরকম কোনও প্ররোচনায় পা দেবেন না। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উপর আক্রমণ হয়েছে। তৃণমূল তা সমর্থন করে না। তবে আইন নিজের হাতে তুলে নিলে আখেরে লাভ BJP-র।”
এর পরেই হুমায়ুনকে নাম না করে নিশানা করেন অভিষেক। তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, ”যে বাবরি মসজিদ নিয়ে বড় বড় কথা বলছে, সে BJP-রই প্রার্থী ছিল। তাঁর আসল চেহারা, প্রকৃত স্বরূপ খুব তাড়াতাড়ি মানুষের সামনে আসবে।” তিনি বলেন, ”অগ্রজ ও অনুজ সকলকে অনুরোধ করব, এলাকার শান্তি, শৃঙ্খলা বজায় রাখুন। কোনও ভাবে BJP-কে অক্সিজেন দেওয়া যাবে না। আমি আজ এখানে সভা করতে না এলেও BJP-কে অক্সিজেন দেওয়া হত।”

