বর্ষার বারোমাস্যা

ইদানীং ঘরে-বাইরে টেকা দায়। একে রোজ বৃষ্টি আবার অনুষঙ্গে ঘন ঘন নিম্নচাপ ও ঘূর্ণাবর্ত। বর্ষা যেন গিয়েও যাচ্ছে না। কাদা, জমা জল, ভিজে ঘাম, স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া, আধশুকনো জামাকাপড়, পোকামাকড়ের জ্বালায় অতিষ্ঠ বাড়ির গৃহিণীরা। সঙ্গে রয়েছে অসুখ-বিসুখেরও ভয়। কারণ ছোট থেকে বড়, বুড়ো, বাড়ির সবার দায়িত্ব তো তারই। কী করবেন রইল তার ঘরোয়া সমাধান। লিখছেন শর্মিষ্ঠা ঘোষ চক্রবর্তী

Must read

বর্ষা (monsoon) যেন এবছর নাছোড় বান্দা হয়ে উঠেছে। পণ করেছে কিছুতেই যাবে না। একে ভারী থেকে অতি-ভারী বৃষ্টি, তার ওপর দোসর ছোট-বড় নিম্নচাপ এবং ঘূর্ণাবর্ত। বৃষ্টির দামালপনায় ঘর-বাড়ি-বাইরে নাজেহাল অবস্থা, সেই সঙ্গে গরমের নেই খামতি। এমতাবস্থায় সবচেয়ে করুণ দশা হয় বাড়ির গৃহিণীদের। বাড়িতে থাকুন বা চাকরিরতা হন, তাঁরা সকলেই আদতে হোমমেকারই। ফলে সব দায় এবং দায়িত্ব তাঁদেরই। সকালে উঠে কাচা কাপড় শুকোতে দেওয়া থেকে, ঘরদোরের যত্ন-আত্তি, সেই সঙ্গে এমন বেপরোয়া আবহাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের খাওয়াদাওয়া এবং শরীর স্বাস্থ্যের, অসুখবিসুখের দেখভাল সবের শেষকথা গৃহিণীরাই। সমাধান বলুন বা উপচার, তাঁদের হাতেই।
ঝড় হোক বা বৃষ্টি, রেনি ডে তো কবেই উঠে গেছে। এখন কচিকাঁচাদের স্কুল ছুটির কোনও উপায় নেই। রোজ কোনও না কোনও সারপ্রাইজ টেস্ট। কামাই দিলেই বিপদ। আর বৃষ্টিতে জলে, কাদায় ইউনিফর্মের দফারফা, ঠান্ডা লেগে শরীর বেহাল। দু’সেট ইউনিফর্মেও এখন চাপ। একটা কাচলে সেটা দু’-তিনদিনেও শুকোচ্ছে না। কাদার দাগ সহজে যাচ্ছে না, মোজার তো আরও দুর্দশা। সামাল দেওয়া দায়।

জামাকাপড়ে কাদার দাগ
প্রথমেই জামা বা মোজা জলে ধোবেন না। এতে ময়লা, কাদা আরও গভীরভাবে বসে যেতে পারে। আগে শুকিয়ে নিন। এরপর দেখবেন জামায় লেগে থাকা কাদা বা ময়লা সহজে ঝরে যাবে। ভাল করে পরিষ্কার করে এরপর জামার ওই অংশে ডিটারজেন্ট লাগিয়ে একটু ঘষে নিয়ে রেখে দিন দশ মিনিট। দাগ তোলার উপাদান ব্যবহার করতে পারেন তবে তা ডিটারজেন্টের সঙ্গে দেবেন। এবার একটা বালতিতে হালকা গরম জল নিয়ে ওর মধ্যে দু’ছিপি ভিনিগার দিয়ে গুলে ওই জামা ভিজিয়ে আরও পনেরো মিনিট রেখে ঘষে তুলুন, দেখবেন ঝকঝকে হয়ে গেছে। বর্ষায় চেষ্টা করুন জামা-কাপড় খুব ভাল করে নিংড়ে তারপর কোথাও ঝুলিয়ে রেখে দিতে যাতে পুরো জলটা ঝরে যায়। ওয়াশিং মেশিন হলে স্পিনে দিয়ে জল বের করে দিন, এবার শুকতে দিন। এই পদ্ধতিতে বর্ষাকালে সব জামাকাপড়ই কাচা যেতে পারে। জামা যত শুকনো হবে তত গন্ধ কম হবে।

জুতোর হাল বেহাল
স্কুলের জুতো হোক বা অফিসের বা রোজকার পরার, বর্ষায় (monsoon) জুতোর অবস্থা সবচেয়ে খারাপ হয়, সেই সঙ্গে পায়ের অবস্থাও। এই সময় সবার আগে চামড়ার চটি বা জুতো সরিয়ে দিন। বর্ষায় জুতোয় সাদা সাদা একধরনের ছোপ পড়ে, বিশেষত চামড়ার জুতোয়। তাই বুট হোক বা স্যান্ডেল, খবরের কাগজ রোল করে জুতোর ভিতরে ঢুকিয়ে বাক্সে করে রেখে দিন। এতে বর্ষার ভিজে আবহাওয়াতে জুতো ভাল থাকবে।
এই সময় পিভিসি প্লাস্টিক, ক্যানভাস, জল ধরে না এমন সিন্থেটিক মেটিরিয়ালের জুতোই ভাল। এখন দামি ব্র্যান্ডেড কোম্পানির রেপ্লিকা পাওয়া যায়। ক্রকস, স্লাইডার, স্লিপার, স্যান্ডেল ধরনের জুতো বাড়ির সবাই পরলে গৃহিণীর পরিশ্রম কমবে। কারণ এগুলো জলের তলায় রাখলেই সব কাদা-জল ধুয়ে যায়। নচেৎ চামড়ার জুতো টিকিয়ে রাখা দুরূহ ব্যাপার।
স্কুলের জুতো পিভিসি মেটিরিয়ালের হওয়া সম্ভব নয় তাই ছোট্ট সোনা স্কুল থেকে ফিরলে আগে জুতোর জল ঝরিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে কাগজ ঢুকিয়ে রেখে দিন। একটু যে কোনও স্প্রে করে দিন এতে দুর্গন্ধ হবে না। যদি দুটো জুতোর অপশন না থাকে তাহলে ভেজা জুতো হালকা ড্রায়ার দিয়ে শুকিয়ে নিতে পারেন।

মশলাপাতি ভাল রাখতে
বর্ষাকালে গৃহিণীদের সবচেয়ে কষ্ট মশলাপাতি নিয়ে। হয় সেঁতিয়ে যায়, না হয় গুমোগন্ধ বা ছাতা পড়ে যায়, বিশেষ করে স্টোর করে রেখেছেন যেগুলো। এই আবহাওয়াতে রান্নাঘরে জানলার সামনে কিংবা সরাসরি গ্যাসের সামনে মশলার কৌটো ফেলে রাখবেন না। তাপ আর আর্দ্রতার মিশেলে মশলা খারাপ হয়ে যায়। কোনও আলমারিতে ঠান্ডা জায়গায় রাখুন।
কাঠের বাক্স হলে সবচেয়ে ভাল। এতে মশলাপাতি মিইয়ে যাবে না। বর্ষায় ডালে পোকা ধরে যায়। তাই ডালের কৌটোয় শুকনো লঙ্কা দিয়ে রাখুন। চিনির কৌটোয় পিঁপড়ে ধরার প্রবণতা এই সময় বেশি, চিনির কৌটোয় সাত থেকে আটটা লবঙ্গ ফেলে রাখুন।
বর্ষার বড় সমস্যা নুনের কৌটো নিয়ে পড়তে হয়। নুন আর নুন থাকে না জল হয়ে যায়, ভিজেভাব থাকে। এক্ষেত্রে নুনের কৌটোয় শুকনো চাল বেশ কয়েকটা ফেলে রাখুন এতে ওই চাল আর্দ্রতা শুষে নেবে। আর নুন সবসময় কাচের পাত্রেই রাখুন।

আরও পড়ুন-চা-বাগানের শ্রমিকস্বার্থ রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার

বর্ষার পুষ্টি
এমন আবহাওয়ায় লড়াই করার শক্তির জোগানদার হল পুষ্টিকর খাওয়াদাওয়া। রোগ প্রতিরোধ শক্তি যত বাড়বে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হবে না। রোজ পাতে রাখুন ভিটামিন সি যুক্ত একটা করে ফল। যেমন লেবু, পেঁপে নিয়মিত দিন।
প্রোটিন এবং প্রোবায়োটিক ফুড বর্ষায় শরীর সুস্থ রাখার অন্যতম দাওয়াই। টকদই খান ঘরে পাতা। স্যুপ বা স্ট্যু খান যেমন ভেজিটেবল, চিকেন বা মাটন স্যুপ বা পালংশাকের স্যুপ দিন গরমাগরম।
এই সময়ে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৬ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলসমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান। ডিম, পনির, স্প্রাউট, বাদাম রাখুন খাদ্যতালিকায়।

শাকপাতা দেখে খান
বর্ষায় রোগের ঝুঁকি কমাতে শাকপাতা মাস্ট। কিন্তু জলে কাদায় বৃষ্টিতে এই সময় ব্যাকটেরিয়ার জীবাণুরা মনের সুখে শাকপাতায় বংশ বিস্তার করে তাই খুব সতর্ক থাকা জরুরি। শাক-পাতা খাওয়ার আগে কেটে নুন জলে ডুবিয়ে রাখুন অন্তত পনেরো মিনিট।
রান্নার আগে খানিকক্ষণ বরফ জলেও ডুবিয়ে রাখতে পারেন এতেও একই কাজ হবে। বরফ জলে রাখলে শাকের রং একইরকম থাকবে।
এ-ছাড়া পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট জলে গুলে ওই মিশ্রণে দশ মিনিট শাকগুলো ডুবিয়ে রেখে দিন।
রান্নার আগে আরও একবার গরম জলে ধুয়ে নিন জলটা ভাল করে ঝরিয়ে নিন। এতে বিষাক্ত যা কিছু বেরিয়ে যাবে। খুব ভাল করে সুসিদ্ধ যাতে হয় দেখে নেবেন। কাঁচা বা আধসেদ্ধ যেন না থাকে।
অনেকেই খোসা সমেত শসা, টম্যাটো ও আরও অন্যান্য সবজি খান, এখন তা করবেন না। লেটূস, সেলেরি যেগুলো কাঁচা খায়, আপাতত বাদ দিন।

বর্ষায় মেঝের যত্ন
প্রবল বর্ষায় (monsoon) বাড়ির হাল খারাপ হবেই। বিশেষ করে মেঝে। মেঝে ঘরের কোনা, রান্নাঘর, খাবারঘর সর্বত্র কেঁচো কেন্নো, তেলাপোকা, মশা, মাছি, পিঁপড়ের দল সারি সারি। তাদের মোচ্ছব আর গৃহিণীর হয়রানি। এই সমস্যা কমাতে ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস খেলতে দিন। পরিষ্কার এবং শুকনো রাখুন যতটা সম্ভব। ডিসইনফেকটিভ ক্লিনার দিয়ে দিনে দুবার গোটা বাড়ি মুছে নিলে ভাল। তবে পোকামাকড় পিঁপড়ের জন্য সবচেয়ে কার্যকরী কেরোসিন তেল। দিনে একবার মুছলেই পোকামাকড় সব গায়েব। যদি আধুনিক ফ্লোরিংয়ের জন্য কেরোসিন উপযুক্ত না হয় তবে নিমতেল জলে গুলে স্প্রে করুন মেঝেতে, ভিনিগার জলে গুলেও স্প্রে করতে পারেন। জলে কর্পূর ফেলেও মুছতে পারেন। বেসিনের পাইপ দিয়েও পোকা আসতে পারে তাই সবসময় নলের মুখ পরিষ্কার রাখুন। একটা ন্যাপথলিন দিয়ে রাখুন বেসিনের জল বেরনোর মুখে।

বর্ষার রোগব্যাধি
স্কুল-কলেজ হোক বা অফিস, কোর্টকাছারি— বর্ষা মানেই গলা খুশখুশ, সর্দিগরমি, জ্বরজারি। এমন এক ভাইরাল যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে সবসময় যাওয়াও যায় না। জ্বর আছে অথচ নেই, গলাব্যথা, খুশখুশে কাশি, নাক দিয়ে জল পড়া। সংক্রামক তাই বাড়ির কচি থেকে বুড়ো— সবার মধ্যেই নিমেষে ছড়িয়ে পড়ে। এমন দুর্ভোগে কখনও-কখনও পড়ে যান গৃহিণীরাও। তাঁদের ভাইরাল সংক্রমণ হলে আরও বিপদ। তাই সতর্ক হোন।

হঠাৎ গলা-খুশখুশ এবং ব্যথা
সসপ্যানে এক গ্লাস জল নিয়ে ওর মধ্যে দারুচিনি এক থেকে দুটো বড় টুকরো, লবঙ্গ ছটা, এলাচ ছ’টা, আদা একটুকরো আর মধু একচামচ দিয়ে বেশ ভাল করে ফুটিয়ে নিন। ছেঁকে ওই জল গলা ব্যথা বা খুশখুশানিতে দিনে অন্তত এক কাপ করে খান বা অসুস্থ প্রিয়জনকে দিন। এছাড়া একটা পাত্রে আদা, কাঁচাহলুদ, গোলমরিচ, তেজপাতা, লবঙ্গ আর মেথি একসঙ্গে ভাল করে ফুটিয়ে নিন। এবার ছেঁকে ঠান্ডা করে অর্ধেক পাতিলেবুর রস মিশিয়ে চায়ের মতো দিন দু’বার। যষ্টিমধুকে টুকরো টুকরো করে চুষতে দিন এতে গলাব্যথা, ধরা সব ছেড়ে যাবে।

যাতে হঠাৎ ঠান্ডা না লাগে
এই সময় বাড়ির ছোট্টটিকে একটা কফি মগে হালকা গরম দুধে দু চিমটে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে রোজ দিতে ভুলবেন না যেন। সকালে স্কুল যাবার আগে একবার দিলেই দেখবেন অনেকটা রোগ প্রতিরোধ শক্তি বেড়েছে।

জ্বর-জ্বর ভাব
এই সময় জ্বর-জ্বর ভাবটাই স্বাভাবিক। এককাপ গরম জলে, এক চা চামচ মধু, অর্ধেকটা লেবুর রস দিয়ে ওই জল দিনে একবার দিন। আর সাত থেকে আটটা তুলসীপাতা জলে ফুটিয়ে ওর মধ্যে এক চা চামচ মধু দিয়ে ওই জল বিকেলে একবার দিন। কারণ মধুতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা শরীরের ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে। তুলসীতে রয়েছে ইউজেনল যা ব্যাকটেরিয়াল এবং ভাইরাল সংক্রমণে দারুণ মোকাবিলা করে। লেবুতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন-সি যা রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়, ইনফেকশনের বিরুদ্ধে লড়তে সহায়তা করে।

সর্দি-হাঁচি-কাশি
গলা খুশখুশ থেকে শুরু হয়ে যায় কাশি। একবারেই সময় নেয় না। তাই এই সময় রোজ ছটা থেকে আটটা গোটা গোলমরিচ থেঁতো করে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খান বা খাওয়ান। দিনে দু’ থেকে তিনবার খেলেই অনেকটা উপশম হবে।
এছাড়া রাতে আটটা বাদাম ভিজিয়ে রাখুন সকালে খোসা ছাড়িয়ে পিষে নিন। ওর মধ্যে মাখন ও চিনি দিয়ে আরও মিহি পেস্ট করে বাড়ির বয়স্ক থেকে বাচ্চা যাকেই দিন কাশির উপশম হবে চট করে।
যদি খুব হাঁচি হয় তবে গরম জলের ভাপ বা স্টিম ইনহেল করুন যতটা বেশিবার সম্ভব এতেও ভাল কাজ হবে।

পেটে ব্যথা ও পেট ফাঁপা
বর্ষাকালে পেট ব্যথা, পেট ফাঁপা ডায়েরিয়া লেগেই থাকে। যদি বাড়ির সদস্য এমন সমস্যায় পড়ে, চট করে এক চামচ জোয়ান সরাসরি মুখে দিয়ে দিন কিংবা সমপরিমাণ জোয়ান এবং এক চিমটে বিট নুন একসঙ্গে মিশিয়ে জল দিয়ে খাইয়ে দিন। সঙ্গে সঙ্গে উপকার পাবেন। আয়ুর্বেদ অনুযায়ী হরীতকী, শুঁঠ, জোয়ান এই ভেষজগুলো সমান মাত্রায় গুঁড়ো করে ৩ গ্রাম করে দু’বার গরম জল দিয়ে খাওয়ালে উপকার মিলবে এতে পেট ফাঁপা, বমি বা বমি-বমি ভাব থাকলেও দূর হবে।

ঠান্ডা লেগে কানব্যথা
বাড়িতে ছোট বাচ্চা থাকলে বর্ষাকালে কানে ব্যথা খুব চেনা সমস্যা। এক্ষেত্রে দু’চামচ তিল তেলের মধ্যে এক চামচ থেঁতো করা রসুন দিয়ে ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে দুই থেকে তিন ফোঁটা হালকা ভাবে কানে ঢালুন। সঙ্গে দু’বার থেকে তিনবার গরম সেঁক দিয়ে দিন আরাম লাগবে।

মাথাব্যথা
বর্ষার (monsoon) আবহাওয়ার তারতম্যে মাথার যন্ত্রণা বাড়ে আর এই সমস্যা সবচেয়ে হয় গৃহিণীদের কারণ, একে তো আবহাওয়ার তারতম্য সেই সঙ্গে নিজের প্রতি অবহেলায় শরীরে জলের ঘাটতি। এই পরিস্থিতিতে ডিহাইড্রেশন কে রুখবে। এটাই মাথাব্যথার অন্যতম কারণ হয়ে যায়। আবহাওয়ার এই তারতম্যে সাইনাস, মাইগ্রেন দুই বাড়ে এক্ষেত্রে নাকের মধ্যে পরিশুদ্ধ সরষের তেল বা তিল তেল একফোঁটা করে দিনে দুবার দিন। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খান। দিনে তিন লিটার। সেই সঙ্গে জলজাতীয় তরল পানীয় খান, জল রয়েছে এমন ফল খান, এতে মাথাব্যথা উপশম হবে।

বয়স্ক সদস্যের নিউমোনিয়ার লক্ষণ
এই সময় সর্দি-কাশি, জ্বরের সঙ্গে নিউমোনিয়াও ধরে যেতে পারে বিশেষ করে বাড়ির বয়স্কদের। তাই সতর্কতা জরুরি। যদি আগে থাকতেই সচেতন হন বিপদ এড়ানো সম্ভব। বয়স্কদের নিউমোনিয়ার
ভ্যাকসিন দিয়ে নেবেন অবশ্যই। তেজপাতা, শুকনো আদা আর এলাচ থেঁতো করে দিনে তিনবার করে খাওয়ান। এতে সমস্যা বেশিদূর গড়াবে না, তার আগেই রোধ করা যাবে।

Latest article