তুহিনশুভ্র আগুয়ান, দিঘা: দিল্লিতে ফেসাইয়ের কেন্দ্রীয় দফতরে পাঠানো হল দিঘার জগন্নাথধামের ভোগের রিপোর্ট। মাসখানেকের মধ্যেই জগন্নাথধামের ভোগপ্রসাদ পেতে চলেছে ফেসাই অনুমোদিত ভোগের (ব্লিসফুল হাইজেনিক অফারিং টু গড) শংসাপত্র। বুধবার তার যাবতীয় রিপোর্ট সংগ্রহ করা হল জগন্নাথধাম থেকে। নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিকের উপস্থিতিতে এবং ফেসাইয়ের দুই সদস্যের উপস্থিতিতে জগন্নাথধামের রান্না করা ভোগের যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয় এদিন।
আরও পড়ুন-পরিকল্পিত ভাবে বৈধ ভোটারদের হেনস্থা
ফাইনাল অডিটের মাধ্যমে সব তথ্য জমা পড়বে দিল্লিতে। সেখান থেকেই আগামী কয়েক মাসের মধ্যে জগন্নাথধামের রান্না করা ভোগপ্রসাদ পেতে চলেছে ফেসাই অনুমোদিত ভোগের শংসাপত্র। গত ডিসেম্বর থেকে দিঘার জগন্নাথধামে ভক্তদের বসে ভোগ খাওয়ার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। রোজ কয়েকশো মানুষ কুপন কেটে জগন্নাথ দেবের ভোগপ্রসাদ গ্রহণ করছেন মন্দির চত্বরেই। আগামী দিনে আরও বিপুল মানুষকে যাতে এই ভোগ দেওয়া যায়, তার প্রস্তুতিও শুরু করে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। জগন্নাথধামের এই ভোগ কতটা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরি তা নিয়ে মাসখানেক আগেই খাদ্য সুরক্ষা দফতরের তরফে প্রি-অডিট করা হয়। সেখানে রাঁধুনিদের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেন খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকেরা। রান্নার সময় যাতে সমস্ত সুরক্ষাবিধি মানা হয় সে ব্যাপারেও জোর দেন তাঁরা। এরপর বুধবার ফাইনাল অডিট হয়। সেই অডিটে উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না ও ফেসাইয়ের দুই সদস্যের টিম। তাঁরা সকলেই এদিন বিভিন্ন পদ রান্নার বিষয় খতিয়ে দেখেন। রান্নার জন্য কোন জল ব্যবহার হচ্ছে এবং রান্নার সময় রাঁধুনিরা সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মানছেন কিনা তাও খতিয়ে দেখেন তাঁরা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে এই পর্ব। যা জমা পড়বে দিল্লিতে। রিপোর্ট পর্যবেক্ষণের পরই কয়েক মাসের মধ্যে জগন্নাথধামকে দেওয়া হবে ভোগের শংসাপত্র। খাদ্য সুরক্ষা আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না বলেন, আজ জগন্নাথধামের ভোগের ফাইনাল অডিট হল। ভক্তরা এই ভোগপ্রসাদ খেয়ে যাতে অসুস্থ না হয়ে পড়েন সেই জন্য কতটা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ভোগ তৈরি হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত রিপোর্ট দিল্লিতে ফেসাইয়ের কেন্দ্রীয় দফতরে জমা পড়বে।

