সংবাদদাতা, হাওড়া : উন্নয়নের পথে আরও এক মাইলফলক। এবার কেন্দ্র সরকারেরই ই-গভর্ন্যান্স পুরস্কার জিতে নিল হাওড়ার শ্যামপুর-২ নম্বর ব্লকের বাণেশ্বরপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত (Baneshwarpur Panchayat)। ই-গভর্ন্যান্সে দুর্দান্ত কাজ করায় কেন্দ্র এই পুরস্কার দিতে বাধ্য হল হাওড়ার প্রত্যন্ত এলাকার এই গ্রাম পঞ্চায়েতকে। বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতের ই-গভর্ন্যান্সের কাজের নিরিখে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের তরফে কেন্দ্রের কাছে ভিডিও পাঠানো হয়েছিল। বিভিন্ন রাজ্যের পাঠানো ভিডিও খতিয়ে দেখে বাংলার এই পঞ্চায়েতকেই সেরা হিসেবে বিবেচনা করে পুরস্কারের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। জানা গিয়েছে, বাংলার মোট ৭টি পঞ্চায়েতকে পুরস্কারের জন্য বিবেচিত করা হয়। হাওড়া ছাড়াও হুগলি এবং পুরুলিয়া জেলার পঞ্চায়েতও কেন্দ্রের এই পুরস্কার জেতার তালিকায় রয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাণেশ্বরপুর-২ (Baneshwarpur Panchayat) নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত বিভিন্ন সরকারি পোর্টালকে কাজে লাগিয়ে ২৮টিরও বেশি নাগরিক পরিষেবা অনলাইনে প্রদান করছে। এর মধ্যে ট্রেড লাইসেন্স, কর আদায়, জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র প্রদান, রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট-সহ একাধিক নাগরিক পরিষেবা রয়েছে। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সংক্রান্ত বিষয়গুলিরও সমাধানের ব্যাপারে পুরোপুরি অনলাইন নির্ভর এই পঞ্চায়েত। এরই সঙ্গে গৃহ নির্মাণ প্রকল্প থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট সবটাই অনলাইনে হিসেব রাখা হয়। এলাকার বিডিও তন্ময় কারজি জানান, রাজ্য সরকারের তরফে আমাদের এই খবর দেওয়া হয়েছে। এখন ওই পঞ্চায়েতে ২৮টিরও বেশি নাগরিক পরিষেবা অনলাইনের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে আরও বেশি পরিষেবা অনলাইনে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাণেশ্বরপুর পঞ্চায়েতের প্রধান লক্ষ্মী মণ্ডল বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার যতই রাজ্যের উন্নয়নে বাধা দিক সফল হবে না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যের উন্নয়ন দ্রুত গতিতে এগোবে। কেন্দ্রের পুরস্কার জেতার মাধ্যমে সেটা আবারও প্রমাণ করলাম আমরা।
আরও পড়ুন-নাম দিয়ে জায়গাকে চেনা ভারি দুষ্কর, নাম দিয়ে কি বোঝা যায় থাকে কারা, সাধু নাকি তস্কর?