সংবাদদাতা, বারাসত : বারাসত কাছারি ময়দানে ১৯ জানুয়ারি সভা করবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে দফায় দফায় প্রস্তুতি বৈঠক সারছে জেলা নেতৃত্ব। বুধবার বারাসত মিলনীর মাঠে প্রস্তুতি সভায় বেশকিছু বিরোধী দলের সক্রিয় সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সভায় উপস্থিত ছিলেন বারাসতের সাংসদ তথা বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, বারাসতের পুরপ্রধান সুনীল মুখোপাধ্যায়, বারাসত সাংগঠনিক জেলার আইএনটিটিইউসি-র সভাপতি তাপস দাশগুপ্ত, বারাসত শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবাশিস মিত্র, শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চয়ন দাস-সহ অন্যরা। সম্প্রতি এই মাঠে সভা করেছিলেন গদ্দার অধিকারী। সেই মাঠেই এদিন পাল্টা সভা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বরা। এদিন খাদ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই পরিযায়ী পাখিদের মতো প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা আসতে শুরু করেছেন। ২০২৬-এ বিজেপি পগারপার হয়ে যাবে। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা শেখান, গোটা ভারতবর্ষ সেটা অনুসরণ করে।
আরও পড়ুন-মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল উচ্চারণেও বিকৃতি মন্ত্রীর
ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, আপনারা আছেন বলেই জোড়াফুল চকচক করে। বাংলার মানুষের জন্য যে উন্নয়ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করে চলেছেন তাতে তাঁর চতুর্থ বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হওয়া নিশ্চিত হয়ে গেছে। বিজেপির লড়াই জাতের লড়াই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াই ভাতের লড়াই। বিজেপির লড়াই ধর্মের ভাগাভাগি, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াই সম্প্রতির, শান্তির।
কাকলি ঘোষ দস্তিদার আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের স্বনির্ভর করার জন্য কাজ করে চলেছেন। নারীদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী। আমাদের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের জন্য রাজ্যের এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত পর্যন্ত ছুটে বেড়াচ্ছে। রাজ্যবাসীর সুরক্ষা দিতে দিল্লিতে গিয়ে গলা চড়াচ্ছেন বিজেপির বিরুদ্ধে। তাঁর সাফ কথা, সারের নাম করে অন্যান্য রাজ্যে মানুষের নাম বাদ দিয়ে জিতেছে। বাংলায় সেটা হবে না, বাংলার মানুষ লড়াকু মানুষ। এখানে একটাও রোহিঙ্গাও বার করতে পারেনি।

