বাংলার হাট চাঙ্গা হবে জেলার অর্থনীতি, সঙ্গে কর্মসংস্থানও

সিদ্ধান্ত হয়েছে, বাংলা হাটে ৭টির মধ্যে ৪টি জেলাভিত্তিক বিপণি৷ সেই বিপণিগুলিতে প্রতি ১৫ দিন অন্তর ৪টি করে নতুন জেলার প্রদর্শনী থাকবে৷

Must read

প্রতিবেদন : শিল্প সম্মেলনের শেষ দিন ৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারের গা–ঘেঁষা জায়গাটি দেখে মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ এবং হিডকোর অফিসারদের নির্দেশ দেন, এখানে যে ৭টি বিপণি হচ্ছে তাকে আরও ভাল করে গড়ে তুলতে হবে৷ সেদিনই নাম দিয়েছিলেন ‘বাংলার হাট’৷ বৃহস্পতিবার তার উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নিউ টাউনে যুক্ত হল নয়া পালক৷ সেই সঙ্গে ঘুরে দেখলেন আরও এক প্রদর্শনী এদিন যার উদ্বোধন ও নামকরণ করলেন তিনি৷ ‘রূপান্ন’ এই নামেই পরিচিত হবে এই প্রদর্শনী কেন্দ্র৷ নিশ্চিতভাবে বাংলার হাট ও রূপান্ন হার মানাবে যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীকে৷ ঝাঁ চকচকে এই দুটি কেন্দ্রে থাকছে বাংলার গ্রামের হস্তশিল্পের পসরা৷ স্থায়ী এই কেন্দ্র দুটিতে গ্রামীণরা তাঁদের কারুকার্য নিয়ে এসে বিক্রি করতে পারবেন৷ এতে চাঙ্গা হবে গ্রামীণ অর্থনীতি৷ স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হবে কর্মসংস্থান৷

আরও পড়ুন-দিনের কবিতা

সিদ্ধান্ত হয়েছে, বাংলা হাটে ৭টির মধ্যে ৪টি জেলাভিত্তিক বিপণি৷ সেই বিপণিগুলিতে প্রতি ১৫ দিন অন্তর ৪টি করে নতুন জেলার প্রদর্শনী থাকবে৷ সঙ্গে জলযোগের জন্য রয়েছে ‘ক্যাফে একান্ত’৷ ফলে সপ্তাহজুড়ে মানুষ এখানে এসে তাঁদের পছন্দের জিনিস কিনতে পারবেন৷ সারা বছর ধরে চলবে প্রদর্শনী৷ এদিন এই প্রদর্শনী ঘুরে দেখার ফাঁকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে তৈরি হয়ে গিয়েছে৷ প্রত্যেক জেলা এখানকার স্টলে তাদের জিনিসপত্র দেখাতে পারবে৷ এদিন বাংলার হাট শুরু হয়েছে আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, বীরভূম ও নদিয়ার হস্তশিল্প দিয়ে৷ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, হিডকোর ভাইস চেয়ারম্যান এইচ কে দ্বিবেদী, বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী প্রমুখ৷

Latest article