প্রতিবেদন : অবসর ভেঙে জাতীয় দলে ফিরেই গোল করেছেন। সুনীল ছেত্রী বুঝিয়ে দিয়েছেন, তিনি এখনও অপরিহার্য। ভারতীয় ফুটবলের সর্বকালের সেরা গোলস্কোরারের প্রত্যাবর্তন নিয়ে দুই প্রাক্তন কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া এবং আই এম বিজয়ন ভিন্ন মেরুতে।
শনিবার ছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রয়াত সচিব দীপক (পল্টু) দাসের ২৪তম প্রয়াণ বার্ষিকী। ক্লাবের ‘দীপক জ্যোতি’ সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত হন বাইচুং ও বিজয়ন। কালো হরিনকে ‘দীপক জ্যোতি’ সম্মানে ভূষিত করেন স্বয়ং বাইচুং।
আরও পড়ুন-পুলিশকর্মীদের পোস্টিং-বদলিতে নয়া নিয়ম, আবেদন শুধু অ্যাপে
অনুষ্ঠানে বাইচুং বলেন, ‘‘সুনীলের প্রতিভা, দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে না। সুনীলের ফেরাটা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ভাল। কিন্তু ভারতীয় ফুটবলের জন্য ভাল বিজ্ঞাপন নয়। হতে পারে কোচের উপর কোনও চাপ ছিল। সুনীল কুয়েত ম্যাচটা খেলে ঘরের মাঠে অবসর নিয়েছিল। ও চাইলে কাতার ম্যাচটা খেলে অবসর নিতে পারত। ওই ম্যাচটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ও ফিরেই গোল পেয়েছে। কিন্তু সুনীল এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ারের সব ম্যাচ খেলবে কি না জানি না।’’ বাইচুংয়ের সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুতে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক বিজয়ন। তিনি বলেন, ‘‘সুনীলের বিকল্প হয় না। আইএসএলে ভারতীয়দের মধ্যে সর্বোচ্চ গোলদাতা। ও ফেরায় ভালই হয়েছে। আশা করি।’’ অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী, নৃত্যশিল্পী মমতা শঙ্কর, কোচ রঘু নন্দীকেও দীপক জ্যোতি সম্মান তুলে দেয় ক্লাব। সম্মানিত করা হয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকেও।