সংবাদদাতা, মালদহ : বন্যাত্রাণের টাকা লুঠ হয়েছে এই অভিযোগ তুলে বিজেপি (shame on BJP) পরিচালিত পঞ্চায়েতের দুই মহিলা সদস্য (অর্চনা মণ্ডল, প্রিয়া মণ্ডল) একেবারে প্রকাশ্যে চুলোচুলিতে জড়িয়ে পড়ল। চলল ব্যাপক মারধর। মালদহের মানিকচকের এই ঘটনায় বিজেপির মুখ তো পুড়েইছে সেইসঙ্গে বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েতে যে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে-হচ্ছে সেই ঘটনাও প্রকাশ্যে চলে এল। হিসেব নেই বন্যাত্রাণের প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার। সেই হিসেব নিয়েই গণ্ডগোলের সূত্রপাত। গোটা ঘটনায় হইচই পড়ে গিয়েছে। অভিযোগ দায়ের হয়েছে ভূতনি থানায়।
আরও পড়ুন- এসএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত দিনেই
শুক্রবার মালদহের ভূতনির দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বৈঠক চলাকালীন টাকার হিসেব নিয়ে বিজেপির সদস্য-সদস্যাদের মধ্যে তীব্র গন্ডগোল বাধে। যে-পক্ষ বখরা পায়নি তারা চেপে ধরে অপর পক্ষকে। প্রশাসন সূত্রে খবর, এ-বছর মানিকচকের ভূতনির বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছিল বিস্তীর্ণ এলাকা। ত্রাণ, নৌকার ভাড়া ও অন্যান্য খাতে সরকারি তরফে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়। সেই খরচের হিসাব চাইতে ব্লক প্রশাসন নির্দেশ দিলে পঞ্চায়েত প্রধান-সহ বিজেপির অন্য সদস্যরা বৈঠকে বসেন। কিন্তু বরাদ্দ অর্থের কোনও হিসেব না পাওয়ায় বৈঠক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ-নিয়ে বিজেপিকে ধুয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মানিকচকের তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন, বন্যাত্রাণের টাকা ভাগাভাগি নিয়েই বিজেপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ প্রকাশ্যে এল। এটাই বিজেপির আসল চরিত্র। এরা নাকি রাজ্য চালাবে! একটা পঞ্চায়েতে বন্যাত্রাণের টাকা লুট করে এরা ক্ষমতায় এলে তো, পুরো পশ্চিমবঙ্গকেই বেচে দেবে! ছিঃ ছিঃ। ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হলেও পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে বলে জানিয়েছে পুলিশ।