কেন্দ্রের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের ফল এবার আরও স্পষ্ট করে দিচ্ছে খোদ বিজেপি (BJP)। ভোটার তালিকায় থাকা কোনও ব্যক্তির নাম বাদ দিতে বা অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করতে ৭ নম্বর ফর্ম জমা করার নিয়ম আছে আর বিজেপি নেতারা বিভিন্ন জেলায় এআরও, এইআরও-র কাছে এই ফর্ম জমা করতে গিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। আর সেই থেকেই শুরু সরকারি দফতরে অযাচিত অশান্তির প্রচেষ্টা।
আরও পড়ুন-চিনের কমিউনিস্টদের সঙ্গে মাখামাখি, বিজেপির তীব্র নিন্দায় সরব তৃণমূল
অভিযোগ উঠেছে বেশ কিছু ক্ষেত্রে প্রশাসন সেই ফর্ম জমা নিতে অস্বীকার করেছে। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল বিজেপির তাণ্ডবের একটি ভিডিও। (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে নি জাগো বাংলা)। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিজেপি বিধায়ক পবন সিং এবং ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ মঙ্গলবার ব্যারাকপুরের মহকুমা শাসকের দফতরে ৭ নম্বর ফর্ম জমা করতে যান। কিন্তু তিনি সেই ফর্ম নিতে অস্বীকার করতেই শুরু হয়ে যায় অফিসের মধ্যেই তাণ্ডব।
আরও পড়ুন-চিনা মাঞ্জার দায় নিতে হবে অভিভাবকদেরই
সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দুপুর ১.৩০ নাগাদ নৈহাটী বিধানসভা কেন্দ্রের (১০৪) সহকারী রিটার্নিং অফিসার কুন্তল বসুর ঘরে ঢুকে নৈহাটী বিধানসভা কেন্দ্রে কথিত ১৩,০০০ ভুয়ো ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা। এ বিষয়ে ARO তাঁদের স্পষ্ট করেই জানান যে, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী এই ধরনের কাজ সংশ্লিষ্ট বিএলও-দের (BLOs) মাধ্যমে করতে হয় এবং সেই অনুযায়ী প্রযোজ্য নির্দেশিকাও তাঁদের দেখান তিনি। তাপস ঘোষ ক্ষুব্ধ হয়ে ১৩,০০০ নামের নথির ফাইলটি তুলে টেবিলের উপর সজোরে আঘাত করেন, যার ফলে টেবিলের কাঁচ ফেটে যায়।
যদিও ব্যারাকপুর থানার আইসি জানিয়েছেন কুন্তল বসু কোনো অভিযোগ দায়ের করতে ইচ্ছুক নন। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই পবন সিং ও তাপস ঘোষের এহেন আচরণ নিয়ে নিন্দার ঝড় বইছে।

