সুগন্ধী জবা ফোটানোর লক্ষ্যে কাজ করছেন সিঙ্গুরের উদ্ভিদবিজ্ঞানী দীপ

এর পাশাপাশি ৩০টি বিভিন্ন হাইব্রিড প্রজাতির রঙবাহারি জবা ফুল ফুটিয়ে ইন্টারন্যাশনাল হিবিস্কাস সোসাইটির স্বীকৃতিও পেয়েছেন।

Must read

সুমন করাতি সিঙ্গুর: শীতের মরশুমে নানা প্রজাতির জবা ফুল ফুটিয়েছেন সিঙ্গুরের মধুবাটি গ্রামের বাসিন্দা দীপ চক্রবর্তী। বাড়ির ছাদে নানা প্রজাতির চোখ ধাঁধানো জবা ফুটিয়ে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসের খাতায় নাম তুলেছেন দীপ। এর পাশাপাশি ৩০টি বিভিন্ন হাইব্রিড প্রজাতির রঙবাহারি জবা ফুল ফুটিয়ে ইন্টারন্যাশনাল হিবিস্কাস সোসাইটির স্বীকৃতিও পেয়েছেন।

আরও পড়ুন-পুরসভার সুইমিং পুলে লাগবে লাইসেন্স ফিজ

স্কুলে পড়ার সময় থেকে পরাগসংযোগ ঘটিয়ে বিভিন্ন রঙের জবাফুল ফোটানোর নেশা পেয়ে বসেছিল দীপকে। উদ্ভিদবিদ্যায় স্নাতক হওয়ার পর রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন থেকে উদ্ভিদবিদ্যা নিয়ে এমএসসি পাশ করেছেন। বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০২১ সালে তাঁর জবার উপর লেখা ‘টেক্সটবুক অন ফ্লোরিকালচার’ বই প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে হাওড়া বোটানিক্যাল গার্ডেনে জবার উপর রিসার্চ করছেন দীপ। দীপ চক্রবর্তীর লেখা ২০২৪ সালে প্রকাশিত হয়েছে বই। নাম জবা ফুল ফোটানোর সহজপাঠ। ছুটির দিনে গাছের পরিচর্যার পাশাপাশি জবা ফুলের বীজ তৈরি করার জন্য বিভিন্ন প্রজাতির জবা ফুলের মধ্যে পরাগসংযোগ করেন তিনি।

আরও পড়ুন-৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করল রাজ্য সরকার, রবীন্দ্র সরোবরকে সাজিয়ে তোলার কাজ শুরু শীঘ্রই

ইতিমধ্যে দীপের ছাদের টবে রয়েছে বেঙ্গল সানরাইজ, বেঙ্গল ডান্সিং কুইন, মাদার্স টাচ সিঙ্গুর, ডার্ক মাদার অব বেঙ্গল, সিটি অব জয়, ইন্ডিয়ান সানলাইট, বেঙ্গল লোটাসিয়া-সহ নানা প্রজাতির জবা ফুলের গাছ। সেইসব ফুল দেখতে বহু কৃষি বিজ্ঞানী থেকে উদ্ভিদপ্রেমীরা ভিড় জমান দীপের বাড়ির ছাদে
দীপের আগামী দিনে লক্ষ্য সুগন্ধী জবা ফুলের গাছ তৈরি। ভিন্ন বর্ণের জবা ফুলের পাশাপাশি গন্ধযুক্ত জবা ফুল ফুটিয়ে তোলা।

Latest article