প্রতিবেদন : গ্রিভান্স সেলের দেওয়া প্রস্তাব খতিয়ে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Mamata Banerjee)। একইসঙ্গে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নিলেন তিনি। সোমবার চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গ্রিভান্স সেল ইন্টিগ্রিটি ইউনিভার্সিটি এগজামিনেশনের প্রস্তাব দিয়েছে, ইতিমধ্যেই তা চালু হয়েছে। এর ফলে আপনাদের মর্যাদা বাড়বে। আপনারা ভালো করে পড়াশোনা করুন। আপনারা একদিন বিশ্বের মধ্যে বড় ডাক্তার তৈরি হন। আপনারা আমাদের গর্ব। গর্বের বাংলা গর্বের বিশ্ব বাংলায় পরিণত হোক। আমরা সেটাই চাই।
আরও পড়ুন- মেদিনীপুরের জুনিয়র ডাক্তারদের সাসপেনশন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী, ৮ ঘণ্টা সরকারি পরিষেবার আবেদন
মুখ্যমন্ত্রী (CM Mamata Banerjee) বলেন, আমি সব প্রস্তাব মানতে না পারলেও আপনাদের প্রতি সহানুভূতি নিশ্চয় রয়েছে। নিরাপত্তা ইস্যুটি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি। পুলিশকে আরও একটু তৎপর হওয়ার বার্তা দেন তিনি। বলেন, মোবিলিটি বাড়াতে হবে। মোবাইল ভ্যানে টহল বাড়াতে হবে। এখন সাইবার ক্রাইম সক্রিয়। টহলের সঙ্গে সর্বদা বুদ্ধি কাজে লাগাতে হবে। পুলিশকে সাইবার ক্রাইমের ট্রেনিং নিতে হবে। সিভিককে ট্রেনিং দিয়ে হোমগার্ডে পরিণত করার কথাও বলেন তিনি। একইসঙ্গে ট্রাফিকের ক্ষেত্রে পুলিশ ও সিভিকের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি ভিআইপি গেলে গ্রিন করিডরের তীব্র বিরোধিতা করেন। কোনও ভিআইপির জন্য গাড়ি বন্ধ থাকবে না। আমার জন্যও নয়। সাধারণ মানুষ যদি ট্রাফিকে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে, আমি কোন হরিদাস পাল যে দাঁড়াতে পারব না! ক্রসিংগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর কথা বলেন তিনি। সেফ ড্রাইভ সেভ লাইভ ভাল করে করতে হবে। ওয়াচ টাওয়ারের দরকার হলে এমপি-এমএলএ ল্যাডে করার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, এই যে ট্রাফিক স্ট্যান্ডগুলোতে গান হয়, বাস স্ট্যান্ডগুলো ঠিক করে দেওয়া, সৌন্দর্যায়ন আগে আমিও এমপি ল্যাডের টাকা দিয়ে করেছি। এখন আমাদের সরকার করে। আপনারা আরেকটা প্রস্তাব দিয়েছেন স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারের। পিজিটি বলেছিল, আমরা সঙ্গে সঙ্গে একটা মাঠ করে দিয়েছি। আমি নারায়ণকে বলব ২ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে। প্রত্যেকটা মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসাপাতাল যাতে কালচারাল অ্যাক্টিভিটিজ ও স্পোর্টস করতে পারে। আমি চাই, কলেজ টু কলেজ বা হাসপাতাল টু হাসপাতাল প্রতিযোগিতা হোক। যুব ও ক্রীড়া দফতর উদ্যোগ নিক, জেলা ও শহরকে মিলিয়ে প্রতিযোগিতা হোক। ইএসআই কর্পোরেশনের চিকিৎসকদের কিছু গ্রিভ্যান্সেস আছে। এটা আমি নারায়ণকে বলব সিএসের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিতে। এদিন তিনি জানান, ৮.৫ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় এসেছেন।