তিনিই বলেছিলেন গীতাপাঠের চেয়ে ফুটবল খেলা ভালো। যার অন্তর্নিহিত অর্থ কর্মই অনেক বেশি কাঙ্খিত, ধর্মের আলোচনার থেকে। আর সেই পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাংলার প্রশাসন স্বামী বিবেকানন্দর বাণী ও নীতিকে তুলে ধরতে তাঁর অনুপ্রেরণায় একের পর এক কর্মসূচি নিয়ে চলেছে। যুব দিবসে সেই কর্মসূচি তুলে ধরে স্বামীজিকে শ্রদ্ধা জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৪তম জন্ম জয়ন্তীতে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ভারতের স্বাদেশিক আধ্যাত্মিক চেতনার প্রতীক স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম। স্বামী বিবেকানন্দ আমাদের স্বদেশভক্তি ও সকল সমাজকর্মের অনুপ্রেরণা। তাঁর দেশপ্রেমের আদর্শ, দরিদ্রনারায়ণের সেবার বার্তা, ঐক্য, শান্তি ও সম্প্রীতির বাণী আমাকে সবসময় উদ্দীপিত করেছে। সর্ব-ধর্ম-সমন্বয়ের যে পথ স্বামীজি আমাদের দেখিয়েছিলেন, তাই আমাদের সবার পাথেয়। স্বামীজির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে বাংলার সকল মানুষ একে অপরকে শ্রদ্ধা করুক ও ভালোবাসুক—এটাই আমাদের একমাত্র প্রার্থনা।
আরও পড়ুন-চা-বাগানের পিএফ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের দাবিতে আজ গর্জে উঠবে আইএনটিটিইউসি
সেই সঙ্গে তিনি তুলে ধরেন বাংলার বর্তমান প্রশাসন তাঁকে স্মরণ করে স্বামীজির স্মৃতি বিজড়িত স্থানের সংস্কার করেছে। তিনি জানান, স্বামী বিবেকানন্দকে শ্রদ্ধা জানাতে আমাদের সরকার অনেক কিছু করেছে। বিবেকানন্দের পৈতৃক ভিটে এবং ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতিজড়িত কলকাতার বাগবাজার এবং দার্জিলিং-এর দুই বাড়ি অধিগ্রহণ করে যথাক্রমে রামকৃষ্ণ মিশন ও রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, এবং সেগুলো এখন সংরক্ষিত হয়ে বহু মানুষের গন্তব্য হয়েছে। বাগবাজারে মায়ের বাড়ির সংস্কারও করা হয়েছে।কামারপুকুরে শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মভূমি-কেন্দ্রে আমরা রামকৃষ্ণ মিশন ও সংলগ্ন এলাকার পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনেক কাজ করেছি, আরো করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন-বিজেপি-শিন্ডের ইস্তাহারেও বাংলাবিদ্বেষ
স্বামীজির অনুপ্রেরণায় রাজ্য সরকার যে উদ্যোগগুলি নিয়েছে তার উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ও দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে নিউটাউনে একটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ‘বিবেকতীর্থ’ গড়ে তোলা হচ্ছে। এর জন্য জমি আমরা দিয়েছি। রামকৃষ্ণ মিশন এটা তৈরি করছে। নির্মাণের খরচও অনেকাংশে আমরা বহন করছি। স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ ও দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে নিউটাউনে একটি শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ‘বিবেকতীর্থ’ গড়ে তোলা হচ্ছে। এর জন্য জমি আমরা দিয়েছি। রামকৃষ্ণ মিশন এটা তৈরি করছে। নির্মাণের খরচও অনেকাংশে আমরা বহন করছি। নতুন প্রজন্মের কাছে স্বামীজির আদর্শ পৌঁছে দিতে প্রতি বছর তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা পালন করছি ‘বিবেক চেতনা উৎসব’। স্বামী বিবেকানন্দর নামে আমরা যুব সম্প্রদায়ের জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প (যেমন – স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট-কাম-মিন্স স্কলারশিপ, ইত্যাদি) করেছি। সল্টলেক স্টেডিয়ামের নাম পালটে আমরা ‘বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন’ করেছি।
‘জাগোবাংলা’য় (Jago Bangla) শুরু হয়েছে নতুন সিরিজ— ‘দিনের কবিতা’ (poem of the day)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের…
মানুষের ছোট ছোট অসুবিধাগুলিকে দূর করে তাদের জীবন সহজ করা। সেবার মধ্যে দিয়ে কঠিন বাধা…
নাগপুর : এবারে কি সত্যিই ঘনিয়ে এল মোদির বিদায়বেলা? দলের অন্দর থেকেই সুস্পষ্ট বার্তা, অনেক…
শ্রীনগর : সেনাবাহিনীর (Indian Army) সঙ্গে কিশতওয়ারের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের গুলির লড়াই শুরু হয়েছিল…
ওয়াশিংটন: ইউরোপের দেশগুলির উপর শুল্কের ভার চাপিয়ে গ্রিনল্যান্ড (Greenland_America) দখল করার কৌশল নিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট…
নয়াদিল্লি : কেন্দ্রীয় সরকারের সাহিত্য অ্যাকাডেমি পুরস্কার স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অভিনব পদক্ষেপ নিলেন তামিলনাড়ুর…