প্রতিবেদন : ১৪৩ জন বিএলও অর্থাৎ শিক্ষক কাজে যোগ দেননি বলে কমিশনের পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়ানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে যদি তারা কাজে যোগ না দেন তাহলে নাকি সাসপেন্ড করা হবে! এ-প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) স্পষ্ট ভাষায় রাজ্য সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। বলেছেন, নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক সংস্থা। নির্বাচন প্রস্তুতি সংক্রান্ত কাজে রাজ্য সরকার, বিদ্যালয় শিক্ষা এবং উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নিয়ম মেনেই পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করে। বিএলও-সংক্রান্ত সুস্পষ্ট নির্দেশিকা বা কোনওরকম যোগাযোগ এখনও পর্যন্ত শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে করা হয়নি। যদি লিখিতভাবে কমিশনের তরফ থেকে শিক্ষা বিভাগের কাছে কোনও নির্দেশিকা আসে তাহলে অবশ্যই খতিয়ে দেখে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাজার গরম করতে সংবাদমাধ্যমে এ-ধরনের প্রচার চালিয়ে বিভ্রান্তির চেষ্টা চলছে। কমিশনের তরফে কোনও চিঠি না পাওয়া পর্যন্ত এ-নিয়ে কোনও মন্তব্য করবে না শিক্ষা দফতর।
আরও পড়ুন-বিশেষ দিনে বাংলা ছবি মুক্তি নিয়ে অভিনব সিদ্ধান্ত নিল টলিউড
এক নয়, একাধিক! নিজের দফতরে মহিলাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর শাস্তি পেলেন সেই পুলিশ আধিকারিক। কর্নাটক…
প্রতিদিন ১ ডিগ্রি করে বাড়ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কলকাতা (Kolkata) থেকে আগামী কয়েকদিনে প্রবল শীতের কনকনানি…
নয়াদিল্লি : অভূতপূর্ব ঘটনা বিজেপিতে (BJP)। মাত্র ৪৫ বছর বয়সেই বিজেপি সভাপতি পদে বসলেন নীতিন…
নয়ডা : ডাবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে এখন নারী-নিরাপত্তার নামে যে কতবড় প্রহসন চলছে তা আরও…
দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতেই হত। এত সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেন সহ্যের সব…
অর্থোপেডিক সার্জারির এক নতুন দিগন্ত। হাড় বা অস্থি, দেহের অন্যতম শক্ত অংশ যা আমাদের শরীরের…