বঙ্গ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি মেনেই নয়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ নির্বাচন কমিশনের

কিছুদিন আগেই বিহারে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেন্সিভ রিভিশনের উদাহরণ দিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । প্রক্রিয়ার নানা নিয়ম কানুন নিয়েও দিঘা থেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তার কয়েক দিনের মধ্যেই বিশেষ বা নিবিড় সমীক্ষা নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল নির্বাচন কমিশন। সামনেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন আর তার আগে জাল ভোটার রুখতে ভোটার তালিকা সাফাইয়ের কাজে হাত দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। জানা যায় ওই রাজ্যে ২০০৩ সালে ভোট তালিকার বিশেষ সংশোধন হওয়ার সময় ভোটার সংখ্যা ছিল ৪.৯৬ কোটি। তবে বিহারে এই মুহূর্তে ৭,৮৯,৬৯,৮৪৪ জন ভোটার রয়েছেন। এঁদের সকলের বাড়ি গিয়ে একটি এনুমেরেশন ফর্ম (ইএফ) দেওয়া হচ্ছে। যাঁদের নাম পুরনো তালিকায় রয়েছে তাঁদের শুধু ইএফ ফর্মটি পূরণ করে জমা দিলেই হবে। আলাদা নথি দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। কিন্তু যাঁরা নতুন, তাঁদের ‘ডিক্লারেশন ফর্ম’-এর সঙ্গে নাগরিকত্বের প্রমাণস্বরূপ বাড়তি নথি জমা দিতে হবে।

আরও পড়ুন-রাজ্যের মুখ্যসচিবের পদে মনোজ পন্থের মেয়াদ বাড়ল ছয় মাস

মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তির পরেই নড়েচড়ে বসে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তরফে এবার জানানো হয়, যে সকল ভোটার ১৯৮৭ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেছেন তাঁদের জন্মতারিখ অথবা জন্মস্থানের সপক্ষে তালিকায় উল্লেখিত ১১টি নথির মধ্যে যে কোনও একটি জমা দিতে হবে। ১৯৮৭ সালের ১ জুলাই থেকে ২০০৪ সালের ২ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁদের জন্ম, তাঁদের জন্মতারিখ অথবা জন্মস্থানের প্রমাণ হিসেবে একটি নথি এবং তাঁদের বাবা বা মায়ের জন্মতারিখ অথবা জন্মস্থানের প্রমাণ রয়েছে এমন একটি নথি জমা দিতে হবে। ২ ডিসেম্বর ২০০৪ তারিখের পরে যারা জন্মগ্রহণ করেছেন, তারা নিজের জন্মতারিখ ও জন্মস্থানের প্রমাণ হিসাবে যে কোনও একটি নথি এবং বাবা-মায়ের জন্মতারিখ ও জন্মস্থান প্রমাণের নথি জমা দেবে। যদি কারও বাবা কিংবা মা ভারতীয় না হন, সে ক্ষেত্রে তাঁর পাসপোর্ট ও সন্তান জন্মের সময়কার ভিসার কপি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

আরও পড়ুন-হিমাচল প্রদেশে রেড অ্যালার্ট; ভূমিধস ও বৃষ্টিপাতের ফলে বিপর্যস্ত দৈনন্দিন জীবনযাত্রা

সোমবার ফের নতুন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আগের নিয়ম বদল করল কমিশন। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিহারের ২০০৩ সালের ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। সেখানে নথিভুক্ত ৪.৯৬ কোটি ভোটারকে নতুন করে কোনও নথি জমা দিতে হবে না। এই ৪.৯৬ কোটি ভোটারের স্বীকৃতির জন্য বাবা কিংবা মায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও নথিও জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারোর যদি ২০০৩ সালের বিহারের ভোটার তালিকায় নাম না থাকে, সে ক্ষেত্রে তিনি নিজের বাবা কিংবা মায়ের অন্য কোনও নথির পরিবর্তে ২০০৩ সালের ভোটার তালিকাটি ব্যবহার করতে পারবেন। তাহলে এখন মোট ভোটারদের প্রায় ৬০ শতাংশকে কোনও নথি জমা দিতে হবে না। শুধু ২০০৩ সালের ভোটার তালিকা থেকে নিজেদের সব তথ্য যাচাই করে আবেদন বা গণনা ফর্ম জমা দিতে হবে।

Jago Bangla

Recent Posts

আরও একধাপ এগোলেন! ভ্যান্স-রুবিওকে সঙ্গে নিয়ে গ্রিনল্যান্ড দখল ট্রাম্পের

গ্রিনল্যান্ড (Greenland_Donald Trump) দখলে মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার একধাপ এগিয়ে মঙ্গলবার ট্রাম্প তাঁর…

3 minutes ago

নিজের কেবিনে একাধিক মহিলার সঙ্গে অশ্লীল আচরণ, সাসপেন্ড পুলিশকর্তা

এক নয়, একাধিক! নিজের দফতরে মহিলাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর শাস্তি পেলেন সেই পুলিশ আধিকারিক। কর্নাটক…

3 hours ago

রাজ্যে বাড়ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

প্রতিদিন ১ ডিগ্রি করে বাড়ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কলকাতা (Kolkata) থেকে আগামী কয়েকদিনে প্রবল শীতের কনকনানি…

4 hours ago

সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি, নেপথ্যে কোন অঙ্ক?

নয়াদিল্লি : অভূতপূর্ব ঘটনা বিজেপিতে (BJP)। মাত্র ৪৫ বছর বয়সেই বিজেপি সভাপতি পদে বসলেন নীতিন…

4 hours ago

সিআরপিএফ ক্যাম্পে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার নাবালিকা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করল ক্ষুব্ধ তৃণমূল

নয়ডা : ডাবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে এখন নারী-নিরাপত্তার নামে যে কতবড় প্রহসন চলছে তা আরও…

4 hours ago

‘তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি’

দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতেই হত। এত সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেন সহ্যের সব…

4 hours ago