সংবাদদাতা, মালদহ : ন্যায্য বিচার না পেলে প্রয়োজনে রাজ্য সরকারের দ্বারস্থ হব। আইনের পথে হাঁটব। বিজেপির গুণ্ডাদের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। প্রধানের হাতে আক্রান্ত দলেরই পঞ্চায়েত সদস্য প্রতিমা মন্ডল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই দলের বিরুদ্ধে করলেন একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য। ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিযুক্ত বিজেপি প্রধান শক্তি মণ্ডল প্রসঙ্গে বলেন, বিজেপির গুণ্ডা। গুরুতর জখম বিজেপি নেত্রীর অভিযোগের পরই চাপে পড়েছে দল। রাজ্য নেতৃত্ব মুখে কুলুপ এঁটেছে। বিজেপির এই ন্যক্কার জনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক শিবিরে। ঠিক কী ঘটেছিল? বিজেপি জেলা সভাপতির সামনে তাকে এবং তার ছেলেকে অন্যায় ভাবে মারধর করার তীব্র প্রতিবাদ জানান। মানিকচকের দলীয় কার্যালয়ে একদল পুরুষ মানুষের সামনে এক মহিলা পঞ্চায়েত সদস্যকে মারধরের ঘটনায় জিপি জেলা সভাপতি-সহ কোনও নেতৃত্বই প্রতিবাদ জানাননি বলে অভিযোগ প্রতিমা দেবীর। বিজেপি-প্রধান শক্তি মণ্ডলকে তিনি সমাজবিরোধী বলেন। দুর্নীতির প্রতিবাদ করতে গিয়ে যে তাকে এরকমভাবে আক্রান্ত হতে হবে স্বপ্নেও ভাবেননি তিনি। বিজেপি প্রধান ও তার দলবল মানুষের পাশে না থেকে গুলি বোমা নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত চালাচ্ছেন এই অভিযোগে সরব হয়েছেন তিনি। দল যদি বিচার না করতে পারে তাহলে শীঘ্রই তিনি আইনের দ্বারস্থ হবেন। শুধু তাই নয় তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত রাজ্য সরকারের কাছেও তিনি সুবিচার চাইবেন। এ নিয়ে তার ওপর দুবার আক্রমণ চালিয়েছে বিজেপি প্রধান। অক্টোবর মাসের ৫ তারিখ মথুরাপুর আম বাগানে দলীয় সভার নামে তাঁকে ডাকা হয়। বন্দুক ও ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে প্রতিমা মন্ডলকে স্বাক্ষর করার জন্য জবরদস্তি করতে থাকেন প্রধানের দলবল।
আরও পড়ুন-পুলিশের উদ্যোগে ইলেকট্রিক সাইকেলে টহল দেবে বিজয়ী বাহিনী
উল্লেখ্য, মালদহের মানিকচক ব্লকের দক্ষিণ চণ্ডীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান শক্তি মণ্ডলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয় দলেরই গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য প্রতিমা মন্ডল। মানিকচক বিজেপি কার্যালয়ে জেলা সভাপতির সামনে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। এরপরই বুধবার প্রধান ও বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হন প্রতিমা মন্ডল।