বিদেশি পর্যটকেরা এখন বাংলামুখী, কেরল-গোয়ার মিলিত সংখ্যার দ্বিগুণ উপস্থিতি

বিদেশি পর্যটকরা এখন বাংলামুখী। আগ্রা, উদয়পুর, ঋষিকেশ, হাম্পি, এমনকী গোয়ার থেকেও বাংলায় আসছেন অধিকসংখ্যক পর্যযক।

Must read

প্রতিবেদন : বিদেশি পর্যটকরা এখন বাংলামুখী। আগ্রা, উদয়পুর, ঋষিকেশ, হাম্পি, এমনকী গোয়ার থেকেও বাংলায় আসছেন অধিকসংখ্যক পর্যযক। মহারাষ্ট্রের পরে বিদেশি পর্যটকদের কাছে দ্বিতীয় পছন্দের জায়গা হিসেবে উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটনকেন্দ্র। আর এটা সম্ভব হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য। ২০১১-তে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরেই রাজ্যের পর্যটনে জোর দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন পর্যটনস্থল তৈরি করার পাশাপাশি জোর দিয়েছিলেন হোম-স্টে-সহ বিভিন্ন পরিষেবার দিকেও। যার সুফল আজ পাচ্ছে বাংলা।

আরও পড়ুন-বেলুড়মঠে বিবেক জন্মতিথিতে বেদপাঠ-স্তবগান

২০২৪ সালে এই রাজ্যে ৩০ লক্ষেরও বেশি বিদেশী পর্যটক এসেছিলেন। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিলেন মার্কিন নাগরিক। তারপর রাশিয়া, ইংল্যান্ড ও ইতালির বাসিন্দারা। কেন্দ্রীয় পর্যটনমন্ত্রক কর্তৃক প্রকাশিত ইন্ডিয়া ট্যুরিজম ডেটা কম্পেন্ডিয়াম ২০২৫ অনুসারে, ২০২৪ সালে বাংলা ৩.১ মিলিয়ন বিদেশি পর্যটক এসেছেন, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। হঠাৎ বিদেশি পর্যটকরা কেন বাংলামুখী? তার অন্যতম বড় কারণ হল, কলকাতার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তকমা দেওয়া। আধ্যাত্মিক পর্যটন, সমুদ্র, পাহাড় এবং প্রাচীন ব্রিটিশ সংস্কৃতির স্মৃতিসৌধের মিলিত ক্ষেত্র বাংলা। কলকাতার পরে সবচেয়ে বেশি যে শহরগুলিতে বিদেশি পর্যটকরা আসছেন সেগুলি হল দার্জিলিং, সুন্দরবন এবং শিলিগুড়ি।

আরও পড়ুন-ই-রিকশা বা টোটো নথিভুক্তির সময়সীমা বাড়াল রাজ্য সরকার

চা বাগান পর্যটন রাজ্যের জন্য আরেকটি বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। এই কারণে বিভিন্ন পাঁচতারা হোটেলে এখন বিনিয়োগ করছে তাজ থেকে শুরু করে মেফেয়ার— সবাই। এখানে হোটেল নির্মাণ করছেন। আইএইচসিএল আগামী বছরগুলিতে ১৫টি নতুন হোটেল খোলার জন্য অম্বুজার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মধ্যে বেশিরভাগই পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলিতে এবং কয়েকটি হিমাচল প্রদেশে।

Latest article