প্রতিবেদন: শিক্ষা,সাহিত্য, রঙ্গমঞ্চ, চলচ্চিত্র এবং সর্বোপরি রাজনীতির মোহনায় দাঁড়িয়েও পৃথক পৃথক পরিচয় তৈরি করে এক অসাধারণ প্রতিভাধর ব্যক্তিত্ব স্থাপন করেছেন ব্রাত্যব্রত বসু রায়চৌধুরী। নামটা শুনে অচেনা লাগলেও এই ব্যক্তি কিন্তু চেনা। তিনি বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সৃজনশীলতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়েছেন তিনি। একাধারে তিনি নাট্যকার, অভিনেতা, পরিচালক, সাহিত্যিক, অধ্যাপক এবং রাজনীতিবিদ—বাঙালি জাতির ইতিহাসে এই ধরনের বহুমুখী প্রতিভার উদাহরণ বিরল।
আরও পড়ুন-আজ সিঙ্গুরে তৃণমূলের প্রতিবাদ সভা
শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গ নাট্য অ্যাকাডেমিতে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের আয়োজিত পরিচালকের মুখোমুখি শীর্ষক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রাত্য বসু ও বিশিষ্ট সাংবাদিক ও নাট্য সমালোচক অলোকপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। এখানেই দু’জনের কথপোকথনে উঠে আসে ব্রাত্য বসুর নাট্য জীবনের হাতে খড়ির কথা। তিনি জানান, মায়ের হাত ধরেই অভিনয়ে জগতে আসা। অফিস থেকে ফিরেই মা তাঁকে রোজ বিভিন্ন পাঠাগারে নিয়ে যেতেন বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করতে। আর বাবা বাড়িতে জোগান দিতেন বিভিন্ন বইয়ের। এই দুইয়ের মিশেলে তাই ছোট থেকেই বইপোকা তিনি। আর এই অভ্যাসই আজ তাঁকে এই সৃজনশীলতার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। কলেজ জীবনে ‘গণকৃষ্টি’ নামক থিয়েটার গ্রুপের সাউন্ড অপারেটর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। আল্ট্রা-মডার্ন নাটক অশালীন তার রচিত প্রথম নাটক। ২০০৮ সালে তিনি নিজের থিয়েটার গ্রুপ ‘ব্রাত্যজন’ প্রতিষ্ঠা করেন, যার প্রথম প্রযোজনা ছিল ‘রুদ্ধসঙ্গীত’। তাঁর নাট্যচিন্তা শুধুই নাটক নয়, তা একপ্রকার মানবমনের অন্তর্জগতে প্রবেশের এক অবারিত দ্বার।

