জুলাই গণঅভ্য়ুত্থানে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর এবার বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina) জমি দুর্নীতি মামলায় সাজা শোনাল বাংলাদেশের আদালত। তাঁকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারপতি মহম্মদ রবিউল আলম একই মামলায় বোন শেখ রেহানাকে ৭ বছরের এবং বোনঝি ব্রিটিশ সাংসদ টিউলিপ সিদ্দিকিকে ২ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শোনালেন৷ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিককে এক লক্ষ টাকা করে জরিমানাও দিতে হবে। এছাড়া প্লট বণ্টন দুর্নীতিতে দোষী সাব্যস্ত বাকি ১৪ জনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অ্যান্টি করাপশন কমিশন (ACC) গত ১২ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারির মধ্যে ঢাকা ইন্টিগ্রেটেড জেলা কার্যালয়-১-এ হাসিনার বিরুদ্ধে ৬টি পৃথক মামলা দায়ের করে ৷ এদিন তারই চতুর্থ মামলায় সাজা ঘোষণা করা হল ৷ অভিযোগ, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন রাজধানী ঢাকার পূর্বাচলে নিউটাউন প্রকল্পে প্লট বিতরণে দুর্নীতি করেছেন। নিজের আত্মীয়দের বেআইনিভাবে প্লট পাইয়ে দিয়েছেন। তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সাইমা ওয়াজেদ পুতুলও রয়েছেন সেই তালিকায় ৷ এদিকে বাংলাদেশে সরকারি ভবন নির্মাণ ও পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব রাষ্ট্র পরিচালিত সংস্থা রাজুক এর ৷ এই সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকদের সাহায্যে দুর্নীতি করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেই অভিযোগ।
আরও পড়ুন-প্রার্থী হওয়া নিয়ে দলের নির্দেশ স্পষ্ট জানালেন অভিষেক
জানা গিয়েছে, তাঁর বোন শেখ রেহানা ও বোনঝি তথা ব্রিটিশ সংসদের সদস্য টিউলিপ সিদ্দিক ওই প্রকল্পে পূর্বাচলে ১০ কাঠা জমি পেয়েছেন। টিউলিপের বিরুদ্ধে রয়েছে আরও অন্যান্য অভিযোগ। তিনি ব্রিটিশ এমপি-র ক্ষমতা ব্যবহার করে প্লট নিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। গত ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন এই নিয়ে মামলা করে। এই মামলায় শুধুমাত্র শেখ রেহানার প্লট পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সোমবার এই মামলার ভিত্তিতেই শাস্তি ঘোষণা হল। গত ৩১ জুলাই এই মামলায় হাসিনা, রেহেনা, জয়, পুতুল এবং টিউলিপ-সহ মোট ২৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয় ৷ গত ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশের আদালত এই সংক্রান্ত তিনটি পৃথক মামলায় হাসিনাকে ৭ বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড ঘোষণা করে ৷ সেই সঙ্গে জয় এবং পুতুলকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়৷
আরও পড়ুন-১ কোটি নাম বাদ? ছাব্বিশের ভোটে বাংলায় তৃণমূলের আসন-ভোট দুটোই বাড়বে: অভিষেকের চ্যালেঞ্জ বিজেপি-কে
উলেলখ্য, ঢাকার বিশেষ আদালত হাসিনার পরিবার ছাড়া আরও ২০ জনকে হাজতবাসের সাজা দেয়৷ তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন আবাস মন্ত্রী শরিফ আহমেদ এবং আবাস মন্ত্রকের অন্য আধিকারিকরাও আছেন ৷ রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকেও মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে ৷ এই মামলায় আবাস মন্ত্রকের একজন জুনিয়র আধিকারিক শুধুমাত্র খালাস হয়েছেন ৷ তবে জমি দু্র্নীতি মামলার সাজা ঘোষণার দিন ঢাকার আদালতের সামনে ছিল কড়া নিরাপত্তা। বাড়তি পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা মোতায়েন ছিল। বিশেষ আদালতের এজলাসের সামনের বারান্দাতে ছিল অতিরিক্ত পুলিশ।
অর্থোপেডিক সার্জারির এক নতুন দিগন্ত। হাড় বা অস্থি, দেহের অন্যতম শক্ত অংশ যা আমাদের শরীরের…
বরোদা, ১৯ জানুয়ারি : ডব্লুপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর স্বপ্নের দৌড় অব্যাহত। সোমবার গুজরাট জায়ান্টসকে ৬১…
‘জাগোবাংলা’য় (Jago Bangla) শুরু হয়েছে নতুন সিরিজ— ‘দিনের কবিতা’ (poem of the day)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের…
মানুষের ছোট ছোট অসুবিধাগুলিকে দূর করে তাদের জীবন সহজ করা। সেবার মধ্যে দিয়ে কঠিন বাধা…
নাগপুর : এবারে কি সত্যিই ঘনিয়ে এল মোদির বিদায়বেলা? দলের অন্দর থেকেই সুস্পষ্ট বার্তা, অনেক…
শ্রীনগর : সেনাবাহিনীর (Indian Army) সঙ্গে কিশতওয়ারের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের গুলির লড়াই শুরু হয়েছিল…