মুকুল-শুভেন্দুকে আমিই সেদিন চিহ্নিত করেছিলাম

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলারক্ষার বার্তা দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

Must read

প্রতিবেদন : তৃণমূলের নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলারক্ষার বার্তা দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের সাধারণ সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেউ দলের শৃঙ্খলার বাইরে যাবেন না। দলে শৃঙ্খলা বজায় রাখুন। অনেকে সংবাদমাধ্যমে টিকে থাকবেন বলে অনেক কথা বলছেন। এটা করবেন না। আমার কত ক্ষমতা, তা দেখাতে গিয়ে আপনারা দলকে ছোট করছেন। দলের সঙ্গে যাঁরা বেইমানি করেছিলেন, যেমন মুকুল রায়, শুভেন্দু অধিকারী, ওঁদের আমিই চিহ্নিত করেছিলাম। ভবিষ্যতেও বেইমানদের লেজেগোবরে করার দায়িত্ব আমিই নিলাম। সাফ জানালেন অভিষেক। একই সঙ্গে তিনি ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের টার্গেট বেঁধে দেন দলকে। বলেন, ২০২৬-এ ২১৫টির বেশি আসনে জিতে চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় আসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার একটা হলেও আসন বাড়াতে হবে। বিজেপি-সিপিএম-কংগ্রেসকে এক ছটাক জমিও ছাড়ব না। একাই লড়াই করব আমরা।

আরও পড়ুন-বিজেপির মতো ভাববাচ্যে কথা বলছে ইডি-সিবিআই

অভিষেক বলেন, বিরোধীরা বাংলাকে কলুষিত করতে সিদ্ধহস্ত। সেই কারণেই তাদের আসন কমেছে। অভিষেকের বক্তব্যে উঠে আসে সন্দেশখালি থেকে আরজি কর প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, আজ থেকে ঠিক একবছর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলায় কী পরিস্থিতি ছিল। কীভাবে বসিরহাটের একটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাকে কলুষিত করার চক্রান্ত করেছিল বিরোধীরা। মানুষ তাঁর যোগ্য জবাব দিয়েছে লোকসভা নির্বাচনে। এই কুৎসার কারণে বিজেপি ১২টা আসনে নেমে এসেছে। ২০২৪ সালে নির্বাচন লড়ার সময় বলেছিলাম, আমরা মানুষের পাশে আছি। অভিষেকের বার্তা, সন্দেশখালি থেকে শুরু করে আরজি কর, বারবার মানুষকে ভুল বোঝানো হয়েছে। বাংলায় চক্রান্ত করা হয়েছে, এখনও চক্রান্ত চলছে। আমরা বুকের রক্ত দিয়ে বাংলাকে আঁকড়ে রাখব।
কেন্দ্রের বঞ্চনা নিয়ে ফের সরব হন অভিষেক। বলেন, এখনও গরিবের টাকা বন্ধ করে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০২৪-এ বলেছিলাম, তিন-চার মাস অপেক্ষা করব। তার পরেও আবাসের টাকা না-দিলে, রাজ্য সরকার বাড়ি করার ব্যবস্থা করবে। ওদের টাকায় আমরা বেঁচে থাকি না। মুখ্যমন্ত্রী কথা রেখেছেন। সরাসরি টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

Latest article