প্রতিবেদন : কৃষ্ণনগরের (krishnanagar murder) ছাত্রী ঈশিতা-খুনে অভিযুক্ত দেশরাজের খোঁজে উত্তরপ্রদেশে হানা দিল পুলিশের দুটি তদন্তকারী দল। একটি দল যাচ্ছে গোরক্ষপুরে, অন্য একটি দল লনউয়ে। খুনের একদিন আগে, মানে রবিবার দেশের বাড়িতে যাওয়ার জন্য দেশরাজের টিকিট কেটে দিয়েছিলেন বাবা বিএসএফ জওয়ান রঘুবিন্দর সিং। দেশরাজ ফোনে বাবাকে দেশে যাচ্ছে বলে জানালেও, যায়নি। পরের দিনই ঈশিতাকে খুন করে। তদন্তকারীদের অনুমান, দেবরাজ উত্তরপ্রদেশেরই কোথাও গা-ঢাকা দিয়ে আছে। কৃষ্ণনগরে বাড়িতে আজ দুপুরে ঈশিতার শ্রাদ্ধশান্তির কাজ হল। মেয়ের ফটোর সামনে বাবা দুলাল মল্লিক ও মা কুসুম, বড়দিদি ও ভাই সজলচোখে কাজ সম্পন্ন করেন। ছিলেন কিছু আত্মীয়পরিজন ও পাড়া-প্রতিবেশী। ২৫ তারিখে দুপুর আড়াইটে নাগাদ খুন হন ঈশিতা। পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে তিনটি গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে (krishnanagar murder)।
আরও পড়ুন-বাংলার ২ শিক্ষকের রাষ্ট্রীয় সম্মান, আপ্লুত মুখ্যমন্ত্রী