প্রতিবেদন : আমি কন্যাশ্রী অনুজা ছেত্রী। তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। আমরা থাকি আলিপুরদুয়ারের ভুটান সীমান্ত লাগোয়া কাঞ্জলি বনবস্তিতে। বাবা দিনমজুর। গাড়ি চালান। বাবা সারাদিনে যা উপার্জন করে আনেন, তাই দিয়ে সংসার কোনোমতে চলে। আমরা তিন বোন। আমিই বড়। এখন আলিপুরদুয়ার কলেজে তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। আমাদের সংসারের যা অর্থনৈতিক অবস্থা, তাতে তিন বোনের পড়াশোনা, আমাদের কাছে বিলাসিতার মতো মনে হয়। যদি আমি মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রী প্রকল্পের টাকা না পেতাম, তবে হয়তো আমাকে পড়াশোনা বন্ধই করে দিতে হত। এই প্রান্তিক বস্তি থেকে উচ্চশিক্ষার আলোয় আসতে পেরেছি শুধুমাত্র কন্যাশ্রীর সাহায্যে। মুখ্যমন্ত্রীকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। উনি আমাদের মতন মেয়েদের কথা চিন্তা করেন বলেই,আমরা আজ এগিয়ে যেতে পারছি।
প্রতিবেদন: ১৩,৪২১ শূন্যপদের জন্য দ্বিতীয় দফার ইন্টারভিউর দিন ঘোষণা করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (West Bengal…
রাজ্য সরকারের ডিজিটাল পরিষেবা উদ্যোগ আরও একবার জাতীয় স্বীকৃতি পেল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘অনুমোদন’ (Anumodan) নামে…
রাজ্যের কৃষি গবেষণায় বড় সাফল্যের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার নিজের…
গ্রিনল্যান্ড (Greenland_Donald Trump) দখলে মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার একধাপ এগিয়ে মঙ্গলবার ট্রাম্প তাঁর…
এক নয়, একাধিক! নিজের দফতরে মহিলাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর শাস্তি পেলেন সেই পুলিশ আধিকারিক। কর্নাটক…
প্রতিদিন ১ ডিগ্রি করে বাড়ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কলকাতা (Kolkata) থেকে আগামী কয়েকদিনে প্রবল শীতের কনকনানি…