ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল হস্তান্তর:কী নিয়ম জানাল নরওয়ের কমিটি

ওয়াশিংটনে গিয়ে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে স্বেচ্ছায় তুলে দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।

Must read

অসলো: ওয়াশিংটনে গিয়ে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে স্বেচ্ছায় তুলে দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। যিনি নিজের দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কট্টর মাদুরো-বিরোধী বলে পরিচিত। ইতিমধ্যে ভেনেজুয়েলার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বেনজির কায়দায় বন্দি করে নিজের দেশে বিচারের আওতায় এনেছেন ট্রাম্প। সেজন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে নিজের নোবেল পুরস্কারটি ট্রাম্পকে দিয়ে এসেছেন মারিয়া কোরিনা মাচাদো। হাসিমুখে তা গ্রহণও করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

আরও পড়ুন-কসবা এলাকায় বাড়িতে বিস্ফোরণ!

হোয়াইট হাউস সূত্র উল্লেখ করে সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ওই পুরস্কার ট্রাম্প নিজের কাছেই রেখে দিতে ইচ্ছুক। কিন্তু অন্যের অর্জিত নোবেল পুরস্কার কি এভাবে আরেকজনকে হস্তান্তর করা যায়? মাচাদো কি নিয়ম ভেঙেছেন? বিশ্বজুড়ে এই নিয়ে বিতর্ক ওঠায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এইসব প্রশ্নের ব্যাখ্যা ও বিবৃতি দিয়েছে নরওয়ের নোবেল কমিটি।
প্রসঙ্গত, নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকের সঙ্গে মাচাদো পেয়েছেন একটি ডিপ্লোমা এবং পুরস্কারমূল্য হিসাবে ১১ লক্ষ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় তার মূল্য প্রায় ১০ কোটি ৮০ হাজার টাকা। এবার কি তাহলে এই অর্থমূল্যও ট্রাম্পের হাতে তুলে দেবেন মাচাদো? নিয়ম কী বলছে? এক বিবৃতিতে নোবেল কমিটি বলেছে, পদক, ডিপ্লোমা বা পুরস্কারমূল্যের যাই হোক, মূল বিজয়ীর নামই নোবেল পুরস্কারের প্রাপক হিসাবে ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। পুরস্কৃত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তাঁর পদক, ডিপ্লোমা বা অর্থ দিয়ে কী করবেন, সেই বিষয়ে নোবেল ফাউন্ডেশনের কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। তিনি সেগুলি নিজের কাছে রাখতে পারেন, কাউকে দিয়ে দিতে পারেন, বিক্রি করে দিতে পারেন বা উৎসর্গ করতে পারেন। পুরস্কার এবং তার স্বীকৃতি তিনিই পাবেন, যাঁকে নরওয়ের নোবেল কমিটি মনোনীত করেছে। বিবৃতিতে ট্রাম্প বা মাচাদোর নাম উল্লেখ করেনি নোবেল কমিটি। তবে মাচাদো প্রথম নন। এর আগেও নোবেল পুরস্কার দিয়ে দেওয়া বা পদক বিক্রি করার নজির রয়েছে।

Latest article