তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস: গণতন্ত্র রক্ষায় বার্তা দলনেত্রী ও অভিষেকের

Must read

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ১ জানুয়ারি উদযাপিত তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সকালে সম্মান ও শ্রদ্ধা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূলের সাফল্যের পথে তৃণমূলস্তরের কর্মীদের সম্মাননা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

রাজ্যবাসীর গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার মধ্যে দিয়ে যেভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস, তা স্মরণ করিয়ে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মা-মাটি-মানুষের সেবার লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালের আজকের দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের পথচলা শুরু হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক যাত্রাপথের মূল দিশারী দেশমাতৃকার সম্মান, বাংলার উন্নয়ন এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা। আজও আমাদের দলের প্রতিটি কর্মী-সমর্থক এই লক্ষ্যে অবিচল এবং অঙ্গীকারবদ্ধ। তাঁদের নিরলস প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগকে আমি বিনম্র চিত্তে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাই।

আরও পড়ুন: মৌলবাদের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস লড়ছে লড়বে

তবে শুধুমাত্র রাজ্য নয়, দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার বার্তা এদিন দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, তৃণমূল কংগ্রেস পরিবার আজ অগণিত মানুষের আশীর্বাদ, অলোবাসা ও দোয়ায় পরিপূর্ণ। আপনাদের অকুন্ঠ সমর্থনকে পাথেয় করেই বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশের প্রত্যেকটি মানুষের জন্য লড়াইয়ে অবিচল আমরা। কোনও রকম অপশক্তির কাছে মাথা নত নয়, সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করেই সাধারণ মানুষের জন্য আমাদের সংগ্রাম আজীবন চলবে।

দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দলের তৃণমূল স্তরের কর্মীদের শুভেচ্ছা বার্তা দিয়ে এদিন অভিষেক লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসে, আমাদের নিরন্তর সম্প্রসারিত পরিবারের প্রতিটি সদস্যের প্রতি আমি বিনম্রচিত্তে শ্রদ্ধা জানাই। পরিবর্তনের জন্য একটি আন্দোলন হিসেবে যা শুরু হয়েছিল, তা আজ এক শক্তিশালী গণতান্ত্রিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। আমার গভীর শ্রদ্ধা তৃণমূলস্তরের কর্মীদের প্রতি। আপনারাই এই কাহিনীর রচয়িতা। আপনাদের শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ ও অটল বিশ্বাসই আমাদের রাজনীতির চালিকাশক্তি। যতক্ষণ আমরা আমাদের মা, মাটি, মানুষের সঙ্গে অবিচল থাকব, ততক্ষণ কোনও শক্তিই, সে যতই উদ্ধত বা অত্যাচারী হোক না কেন, বাংলার মিলিত সংকল্পকে পরাজিত করতে পারবে না।

সেই সঙ্গে গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার বার্তা দিয়ে অভিষেক জানান, আজকের দিনে আমরা জনগণের পাশে থাকার, তাঁদের গণতান্ত্রিক কণ্ঠস্বরকে রক্ষা করার এবং বাংলায় কোনও বাংলা-বিরোধী জমিদারের শক্তির দ্বারা কেউ যেন হয়রানির শিকার, অপমানিত বা ভীতসন্ত্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার আবার গ্রহণ করছি।

Latest article