বিজেপি দেখেনি: মুক্ত কণ্ঠে জানালেন অসিত-গৌতমরা, অভিষেকের কাছে কৃতজ্ঞ মহারাষ্ট্রে নিগৃহীত পরিযায়ী শ্রমিকরা

Must read

বিজেপিশাসিত মহারাষ্ট্রে কাজের গিয়ে হেনস্থার শিকার হন দক্ষিণ দিনাজপুরের বাংলাভাষী ২ পরিযায়ী শ্রমিক। জেলে খাটতে হয় তাঁদের। তাঁদের একজন বিজেপি কর্মী ও একজন প্রাক্তন বিজেপির বুথ সভাপতি। অসময়ে পাশে পাননি বিজেপির নেতৃত্বকে। বুধবার তপনে তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সামনে অকুণ্ঠ স্বরে তাঁরা বলেন, ”অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান ভোলা যাবে না।”

তপনে অসিত সরকারের বাড়িতে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন অভিষেক। সাত মাস ডবলইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে বাংলাদেশি তকমা পেয়ে জেলে থাকার পরে বছর খানেক পরে ঘরে ফিরেছেন তাঁরা। অসিত ও গৌতমদের অভিযোগ, অবৈধভাবে আটক করে তাঁদের থেকে মুক্তির বদলে দেড় লক্ষ টাকা করে দাবি করা হয়। বিস্ফোরক অভিযোগ করে তাঁরা জানান, সেই সময়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব ও সাংসদের কাছে সাহায্য চেয়েও লাভ হয়নি।

আরও পড়ুন- অমর্ত্য সেনের শান্তিনিকেতনের বাড়িতে এসআইআর নোটিশ

এর আগে কলকাতায় এসে অভিষেকের সঙ্গে দেখা করেন গৌতমরা। এদিন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পাশে দাঁড়িয়ে অসিত সরকার বলেন, ”মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়ে দীর্ঘ সাতমাস জেল খেটেছি। কী কষ্ট পেয়েছি একমাত্র আমরা জানি।” অসিতের কথায়, ”সাত মাস জেল খাটলাম। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান ভোলা যাবে না। বাড়ি ফিরে পরিবারের মুখ দেখতে পেরেছি। আমার পরিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কৃতজ্ঞ।”

দীর্ঘ কারাবাসের কথা জানিয়ে গৌতম বর্মন বলেন, ”মহারাষ্ট্রতে কাজ করতে যাই। আমাদের জোর করে আটকে রাখা হয়। আমি পুলক চক্রবর্তীকে বার করতে বলি। সুকান্ত মজুমদারের কাছে আমার স্ত্রী যায়। কোনও কাজ করেনি। আমার স্ত্রীকে বলেন, জেলে গেছে, এমনি চলে আসবে।”

এদিন অসিত সরকারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার রাস্তায় লক্ষ্মীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দাঁড়ায় অভিষেকের গাড়ি। সেখানে শিক্ষক ও পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। অভিষেককে সামনে পেয়ে তাঁর হাতে গোলাপ তুলে দেয় খুদেরা। পড়ুয়াদের চকোলেট দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

Latest article