নয়ডা : ডাবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে এখন নারী-নিরাপত্তার নামে যে কতবড় প্রহসন চলছে তা আরও একবার প্রমাণিত হল দিল্লি লাগোয়া নয়ডাতেই। যাদের উপর ভরসা করে মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে চান, আজ তারাই কেড়ে নিচ্ছে সেই ঘুম। গ্রেটার নয়ডায় মাত্র ১০ বছরের নাবালিকাকে নারকীয়ভাবে শারীরিক নির্যাতন করল এক সিআরপিএফ কনস্টেবল। সিআরপিএফ ক্যাম্পের মধ্যেই দিনের পর দিন ধরে মেয়েটিকে অমানুষিক খাটানো হচ্ছিল। খেতেও দেওয়া হত না ঠিক করে। পান থেকে চুন খসলেই মারধর। মেরে ভেঙে দেওয়া হয় দাঁত। উপড়ে নেওয়া হয় নখ। ধারাবাহিক নির্যাতকে এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়ে ছোট্ট মেয়েটি যে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ নেমে দাঁড়ায় মাত্র ১.৯। রাতে বাথরুমে পড়ে গিয়ে পাঁজরও ভেঙেছে নাবালিকার। হাসপাতালে সে এখন মৃত্যুর মুখোমুখি। এই ঘটনা দিনের আলোর মতো আবার স্পষ্ট করে দিল, যাদের হাতে সারা দেশের মানুষের নিরাপত্তা, তাদের হাতেই আজ বিপন্ন দেশের মেয়েরা। এর নৈতিক দায়িত্ব কি অস্বীকার করতে পারবে অমিত শাহর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক? এই কি তাহলে মোদির বেটি বাঁচাও স্লোগানের আসল রূপ? শুধুই ভাঁওতা? এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছে তৃণমূল।
সোমবার সকালে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি চেয়ে জানানো হয়েছে, সিআরপিএফ সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন একটি বাহিনী। ফলে বাহিনীর এক সদস্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নাবালিকার উপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে, তার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দায় স্বাভাবিকভাবেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপর বর্তায়।
আরও পড়ুন-‘তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি’
জানা গেছে, এক ১০ বছরের নাবালিকাকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নির্যাতন করেছে সিআরপিএফ কনস্টেবল ও তাঁর স্ত্রী। শিশুটি তাঁর স্ত্রীর আত্মীয়া। নাবালিকাকে দীর্ঘদিন ধরে ওই পরিবারে থেকে সমস্ত গৃহস্থলির কাজ করাতে বাধ্য করা হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার রাত ২টো নাগাদ মেয়েটি বাথরুমে পড়ে গেলে তাকে সর্বোদয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গুরুতর অবস্থায় শিশুটি বর্তমানে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে চিকিৎসাধীন। তার পাঁজরের একাধিক হাড় ভাঙা, দাঁত ভাঙা, নখ উপড়ে নেওয়া হয়েছে—এছাড়াও রয়েছে শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন। নাবালিকার রক্তে হিমোগ্লোবিন মাত্র ১.৯!
কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব তারা বহন করবে। তীব্র জনরোষ থেকে বাঁচতে অভিযুক্ত জওয়ান এবং তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
প্রশ্ন উঠছে, কেন জাতীয় শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশন এখনও নীরব? যারা নারী নিরাপত্তা নিয়ে এত বড় বড় বুলি আওড়ায়, তারা কি বিজেপি শাসিত রাজ্যে নিশ্চিত করতে পারবে নাবালিকা আর নারীদের সুরক্ষা? শোষণমুক্তি?
দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতেই হত। এত সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেন সহ্যের সব…
অর্থোপেডিক সার্জারির এক নতুন দিগন্ত। হাড় বা অস্থি, দেহের অন্যতম শক্ত অংশ যা আমাদের শরীরের…
বরোদা, ১৯ জানুয়ারি : ডব্লুপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর স্বপ্নের দৌড় অব্যাহত। সোমবার গুজরাট জায়ান্টসকে ৬১…
‘জাগোবাংলা’য় (Jago Bangla) শুরু হয়েছে নতুন সিরিজ— ‘দিনের কবিতা’ (poem of the day)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের…
মানুষের ছোট ছোট অসুবিধাগুলিকে দূর করে তাদের জীবন সহজ করা। সেবার মধ্যে দিয়ে কঠিন বাধা…
নাগপুর : এবারে কি সত্যিই ঘনিয়ে এল মোদির বিদায়বেলা? দলের অন্দর থেকেই সুস্পষ্ট বার্তা, অনেক…