সংবাদদাতা, গঙ্গাসাগর: সাগরতীর্থে নির্বিঘ্নে কেটেছে পৌষ সংক্রান্তিতে স্নান যাত্রা। প্রশাসনের কড়া নজরদারির জন্য এড়ানো গেছে বিশৃঙ্খলা। প্রশাসনিক হিসাব অনুযায়ী বিকাল ৩টা পর্যন্ত প্রায় ৮৫ লক্ষ মানুষ গঙ্গাসাগর মেলায় (Gangasagar Mela) উপস্থিত হয়েছেন।
এদিন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানান, গঙ্গাসাগর মেলা (Gangasagar Mela) রাজনীতির জায়গা নয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানীয় জল ও থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইআইটির সাহায্যে ভাঙন রোধে কাজ করার চেষ্টা করা হয়েছে। ভিনরাজ্যের পুণ্যার্থীরাও এই ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মেলায় প্রায় ১৫০টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রায় ১০ হাজার কর্মী নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। পুণ্যার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে যাত্রী সেট, কচুবেড়িয়া থেকে হাজার হাজার পূরনার্থীদের গঙ্গাসাগরে পৌঁছে দিচ্ছে ভেসেল। সর্বদিকে নজরদারি রাখা হয়েছে। , লাখ লাখ পুণ্যার্থীদের ভিড়ে গঙ্গাসাগর পরিপূর্ণ। তাঁরা পূণ্য সঞ্চয়ের পর যাতে সুষ্ঠুভাবে বাড়ি ফিরতে পারে তার সমস্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে।
আরও পড়ুন-নন্দীগ্রামে অভিষেকের সেবাশ্রয়ের প্রচার, তৃণমূল কর্মীদের মারধর বিজেপির
গঙ্গাসাগর মেলায় এখনও পর্যন্ত একজন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর খবর মিলেছে। মৃত ব্যক্তি আসামের বাসিন্দা মিঠু মণ্ডল। পাশাপাশি অসুস্থ হয়ে পড়া ৫ জন পুণ্যার্থীকে এয়ারলিফট করে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন, মন্ত্রী, আধিকারিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীরা রাস্তায় নেমে কাজ করছেন।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা, মন্ত্রী পুলক রায়, সুজিত বোস, মন্ত্রী দিলীপ মন্ডল , বেচারাম মান্না, মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বাপি হালদার, সভাধিপতি নীলিমা মিস্ত্রি, সহ-সভাপতি সীমান্ত মালি, সহ পুলিশ আধিকারিক ও সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকরা।

