কোচবিহারে আর নয় বিজেপি, ৯-০ টার্গেট দিলেন অভিষেক

Must read

প্রতিবেদন : ২০২৬-এর বিধানসভার নির্বাচন শুধু বিজেপিকে হারানোর নির্বাচন নয়, ওদের শিক্ষা দেওয়ার নির্বাচন।
এবার কোচবিহারের রণসংকল্প সভা থেকেও হুঙ্কার দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek banerjee)। সেইসঙ্গে কোচবিহারের মঞ্চে হাঁটল ১০ ভূত। নির্বাচন কমিশনের খাতায় যাঁরা মৃত। তালিকায় রয়েছেন অশ্বিনী অধিকারী, কাজিমা খাতুন, আলিমান বেওয়া, মুর্শিদ আলম, আজিজুর রহমান, তপন বর্মনরা। কমিশনকে মোক্ষম খোঁচা দিয়ে অভিষেক বলেন, এঁরা সবাই জীবিত, অথচ ভোটার তালিকায় এঁদের অস্তিত্ব নেই। এর পরেই প্রশ্ন, মানুষের মৌলিক ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার এই চেষ্টার জবাব দেবেন না?
কোচবিহারের এসআইআর-এর নামে সাড়ে তিন লক্ষ মানুষকে নতুন করে নোটিশ ধরানো হয়েছে বলে অভিযোগ অভিষেকের (Abhishek banerjee)। তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, যাঁরা কমিশনের নোটিশ পেয়েছেন, তাঁদের সবার নাম যেন ভোটার লিস্টে থাকে, এটা দলের কর্মীদের নিশ্চিত করতে হবে। দিল্লির বিষয়টা আমরা বুঝে নেব। কর্মীদের উদ্দেশে অভিষেক বলেন, বাঙালিদের বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দিচ্ছে। এটা শুধু তৃণমূল বনাম বিজেপি নয়, বাংলার অধিকার বনাম বিজেপির লড়াই।
কোনও বুথে যেন বিজেপি জিততে না পারে, এটা সুনিশ্চিত করতে হবে।
অভিষেকের হুঁশিয়ারি, কথা দিচ্ছি দিল্লিতে তৃণমূল যাবে। মাঠে যা লোক হয়েছে দিল্লির নেতারা ছবি দেখবেন। রাতের ঘুম চলে যাবে। এক-তৃতীয়াংশ লোক দিল্লিতে যাবে? বঙ্গবাসীর সঙ্গে লড়বেন? আপনাদের থেকে হিন্দু ধর্ম শিখতে হবে? কোচবিহারের ঐতিহ্য শিখতে হবে? যারা এখানকার লোকদের বাংলাদেশি বলেছে। সুকান্ত-দিলীপ-নিশীথ-শুভেন্দু কী ভাষায় কথা বলেন? অসম সরকারের কী এক্তিয়ার আছে এখানে রাজবংশীদের এনআরসি নোটিশ দিচ্ছে! অসমের মুখ্যমন্ত্রীকে বলব, পাঙ্গা নেবেন না।
ইডিকে পাঠিয়ে জব্দ করতে চেয়েছিল, নিজেরাই জব্দ হয়েছে। যাদের হিয়ারিংয়ের লাইনে দাঁড়াতে হল ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে শপথ নেবেন। একটা ভোট যেন বিজেপি না পায়। যাতে কোনও বুথে বিজেপি না জেতে। আমি আবার একমাস পর আসব। যে বুথে বলবেন, অঞ্চলে বলবেন, যাব। ৯-০ করার দায়িত্ব আপনাদের। আপনাদের-আমার মাঝে দেওয়াল থাকলে আমি নিজে ভেঙে দেব। ট্রাফিক সিগন্যালের তিন রং। লাল মানে থামো। গেরুয়া মানে ধীরে চলো। সবুজ মানে এগিয়ে চলো। লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত?
নিশীথ প্রামাণিক প্রাক্তন। কী অহংকার! মাঝে মাঝে দিল্লি থেকে আসত, থেকে চলে যেত। আপনার রিপোর্ট কার্ড কোথায়? বাকিদের নিশীথের মতো প্রাক্তন করতে হবে৷ অনন্ত মহারাজকে ধন্যবাদ। অনন্ত মহারাজ নিজে বলছে। সত্যি কথা বলার জন্য স্যালুট জানাই।

আরও পড়ুন- এসআইআর : অতিরিক্ত চাপ দুশ্চিন্তায় বাইক থেকে পড়ে মৃত্যু বিএলওর

Latest article