নবনীতা মণ্ডল, নয়াদিল্লি : ঢাকঢোল পিটিয়ে মোদি সরকারের প্রচার করা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্প নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। গ্রামোন্নয়ন এবং পঞ্চায়েতিরাজ মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি তাদের ১৬ তম রিপোর্টে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছে। দেশজুড়ে এই প্রকল্পের বিষয়ে রাজনৈতিক প্রচার চালায় বিজেপি। তাদের দাবি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহহারাদের মাথার ওপর ছাদ সহ পরিবারগুলিকে শৌচাগার এবং উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে রান্নার গ্যাস দেওয়া হয়েছে মহিলাদের।
আরও পড়ুন-সাঁতরাগাছি সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চলবে না পণ্য গাড়ি
যদিও এই প্রকল্প নিয়ে গ্রামোন্নয়ন এবং পঞ্চায়েতিরাজ মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি তাদের রিপোর্টে আগেই বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেছিল। তারপর থেকে পরিস্থিতি একইরকম রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই অভিযোগ এবং সুপারিশ করা হয়েছে সদ্যসমাপ্ত বাদল অধিবেশনে পেশ করা রিপোর্টেও। মূল সমস্যা তৈরি হয়েছে উপভোক্তাদের চিহ্নিত করা নিয়ে। আসল উপভোক্তারাই এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন না বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
আরও পড়ুন-পাহাড়ে তৈরি উন্নয়নের ব্লু প্রিন্ট
সদ্যসমাপ্ত বাদল অধিবেশনে গ্রামোন্নয়ন সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় আর্থিক সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি করার সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটি উল্লেখ করেছে, এই প্রকল্পের উপভোক্তাদের যে পরিমাণ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়, তা দিয়ে বাড়ি তৈরি করা অসম্ভব। এদিকে নজর দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে কমিটি। আরও বলা হয়েছে, গ্রামীণ এলাকায় যেখানে বাড়ি তৈরিতে ১ লক্ষ ২০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়, শহরাঞ্চলে সেই অনুদানের পরিমাণ আড়াই লক্ষ টাকা। এই বৈষম্য দূর করে অবিলম্বে গ্রামীণ এবং শহরাঞ্চলে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় আর্থিক অনুদানের বিষয়টি পুর্নবিবেচনা করারও সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
আরও পড়ুন-দুর্গাপুরে জব ফেয়ার ঘিরে প্রবল উৎসাহ
এছাড়া দুর্বল পরিকাঠামো, আমলাতন্ত্রের রমরমা এবং তার সঙ্গে রয়েছে উপযুক্ত আর্থিক বরাদ্দ। ২০২০-২১ সালের রিপোর্টে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটি উল্লেখ করে, যদি সঠিকভাবে উপযুক্ত উপভোক্তা নির্বাচন না করা যায়, তাহলে গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির কোনও সম্ভাবনা নেই। এই কাজে তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব দিতে হবে স্থানীয় বিডিওকে। ২০২১ এর নভেম্বরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের উপযুক্ত উপভোক্তার সংখ্যা ছিলেন ২ কোটি ৭৭ লক্ষ। যদিও রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে কেন্দ্রের তরফে মাত্র ৫০ লক্ষ ৯৯ হাজার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা চালু করা হয়। এই প্রকল্পে ৭০ হাজার ঋণ দেওয়া হয়, ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা সমতল এলাকায় এবং পার্বত্য ও প্রতিকূল এলাকায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তরফে এই আর্থিক সহায়তার পরিমাণ নিয়ে পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করা হয়েছে।
রাজ্যের কৃষি গবেষণায় বড় সাফল্যের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার নিজের…
গ্রিনল্যান্ড (Greenland_Donald Trump) দখলে মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার একধাপ এগিয়ে মঙ্গলবার ট্রাম্প তাঁর…
এক নয়, একাধিক! নিজের দফতরে মহিলাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর শাস্তি পেলেন সেই পুলিশ আধিকারিক। কর্নাটক…
প্রতিদিন ১ ডিগ্রি করে বাড়ছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কলকাতা (Kolkata) থেকে আগামী কয়েকদিনে প্রবল শীতের কনকনানি…
নয়াদিল্লি : অভূতপূর্ব ঘটনা বিজেপিতে (BJP)। মাত্র ৪৫ বছর বয়সেই বিজেপি সভাপতি পদে বসলেন নীতিন…
নয়ডা : ডাবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে এখন নারী-নিরাপত্তার নামে যে কতবড় প্রহসন চলছে তা আরও…