প্রতিবেদন : বড়তলা-কাণ্ডে মঙ্গলবার দোষী রাজীব ঘোষকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছে ব্যাঙ্কশাল আদালত। নির্যাতিতা জীবিত থাকার পরও ফাঁসির সাজা এই বড়তলা-কাণ্ডেই প্রথম! তাই কলকাতা পুলিশ ও রাজ্যের বিচারব্যবস্থার ক্ষেত্রে এই রায় ঐতিহাসিক। কীভাবে এই ঘটনার দ্রুত তদন্ত করেছে পুলিশ, বুধবার তা সাংবাদিক বৈঠকে জানান পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা। নগরপাল বলেন, ঘটনার পর প্রথম দু’দিন তদন্তে বেশ সমস্যা হচ্ছিল। বৃষ্টিতে রাস্তা ধুয়ে যাওয়ায় প্রমাণ জোগাড় করতে বেগ পেতে হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়।
আরও পড়ুন-রেলকে তীব্র ভর্ৎসনা করল দিল্লি হাইকোর্ট
শিশুটির শরীরে পাওয়া কামড়ের দাগের সঙ্গে অভিযুক্তের দাঁতের দাগ মিলিয়ে দেখা হয়। এছাড়াও ডিএনএ নমুনা, রক্তের নমুনা মিলিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। সিট গঠন করে তদন্তের পর ২৮ দিনের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া হয়। তারপর ৭৯ দিনের মাথায় এই ঐতিহাসিক সাজা ঘোষণা। সম্ভবত এটাই প্রথম কোনও ধর্ষণের ঘটনা, যেখানে নির্যাতিতা বেঁচে থাকা সত্ত্বেও দোষীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পুরোটাই তদন্তকারী আধিকারিক, ডিসি (নর্থ) এবং জয়েন্ট সিপি (ক্রাইম)-এর নেতৃত্বাধীন দলের কৃতিত্ব।