প্রতিবেদন : ইডির অনৈতিক আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী জোড়া এফআইআর দায়ের করার পরেই শনিবার তদন্তে নেমে পড়ল শেক্সপিয়র থানার পুলিশ। সকালেই আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে যান পুলিশ আধিকারিকরা। সংগ্রহ করা হয় প্রয়োজনীয় নথি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয় দু’জনকে। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টে ইডি যেতে পারে এই আন্দাজ করেই রাজ্যের তরফে এই মামলা নিয়ে ক্যাভিয়েট দাখিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আইপ্যাক কর্ণধারের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে ভোরে যায় ইডি। সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিল। ইডির বিরুদ্ধে সেই সব নথি বা তথ্য চুরির অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। শনিবার সকালে পুলিশ তদন্তে গিয়ে সিসিটিভির ফুটেজ ও ডিভিআর সংগ্রহ করে। আবাসনের নিরাপত্তা ও অন্য কাজে কোন কোন কর্মীরা সেই সময় ছিলেন তা জানতে ফেসিলিটি ম্যানেজারকে নোটিশ জারি করা হয়েছে। প্রতীক জৈনের পরিবারের সদস্যদের বয়ান রেকর্ড প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে থানায় ডেকে পাঠানো হয় আবাসনের নিরাপত্তারক্ষী এবং বাড়ির গৃহ সহায়িকাকে।
আরও পড়ুন-পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে কেন নীরব কমিশন, প্রশ্ন তৃণমূলের
রাজ্যের তরফে অভিযোগ, পুলিশের ডেপুটি কমিশনার-সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অনৈতিকভাবে ধাক্কা দিয়েছে সিআরপিএফ জওয়ানরা। এই কারণে সেই সময় পুলিশের পোশাকের সঙ্গে থাকা বডি ক্যামেরার রেকর্ডগুলিও যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজনে শীর্ষ আধিকারিকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ইডির বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ইডির তরফে কোনও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ছিলেন কি না তা জানতে ইডির আধিকারিকদেরও তলবের প্রবল সম্ভাবনা। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ জানানোর পরেই গোটা বিষয়টির আইনি গুরুত্ব বেড়ে গিয়েছে। আর সেই কথা বুঝতে পেরে ইডি সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে রক্ষাকবচ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এই কারণেই মামলা যাতে একপেশে না হয়ে যায় তারজন্য ক্যাভিয়েট দাখিল করা হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ।

